সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার সাতটিকরি গ্রামে জোর করে রাস্তার জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী রেজাউল করিমসহ তার ভাইদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে বলে জানান ।
সরজমিনে গিয়ে জানাযায়,গত (৩ মে রবিবার) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭ টার দিকে একই এলাকার মোঃ রেজাউল করিম (৪২), ইয়াকুব আলী আকন্দ আলী (২৫),ইমরান হোসেন (২২),মোঃ সুজাব আলী আকন্দ (৬০),শহিদুল ইসলাম (৫৫),সহ আরও অজ্ঞাতনামা কয়েকজন জমির পশ্চিম সাইট দিয়ে রাস্তা থাকা সর্তেও বেড়াটি ভেংগে জমির উত্তর- দক্ষিণের মধ্য দিয়ে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করার সময় বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ভুক্তভোগী মাজেদ আলী আকন্দ কে মারধর করার উদ্দেশ্য লাঠি,ধারালো অস্ত্র রানধা নিয়ে আসে এবং বিভিন্ন ভাবে তাদেরকে ভয় প্রীতি ও হুমকি প্রদান করে।এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। অভিযুক্তরা যাওয়ার সময় বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
এব্যাপারে ভুক্তভোগী মাজেদ আলী আকন্দ (৫৯) জানান,সলঙ্গা থানার সাতটিকরি মৌজায় আমার বাড়ির দক্ষিণ -পশ্চিম পাশে পৈত্রিক পালান ভিটা রয়েছে। জমিটি বিবাদী শহিদুল ইসলামের বাড়ির সংলগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন ভাবে জমিটি নেওয়ার জন্য পায়তারা করে আসছে। বিগত ১৫ বছর আগেও এই জমিটি নেওয়ার জন্য আমাকে হত্যার উদ্দেশ্য মাথায় আঘাত করে। আমার জমির ভিতর দিয়ে চলাচলের জন্য রাস্তা দেওয়া সর্তে রাস্তার বেড়া ভাংচুর করে আমার ১৫-২০ টা গাছ তুলে ফেলে দিছে।বিবাদীদের হুমকি ও অত্যাচারে আমিসহ আমার পরিবারের লোকজন একেবারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছি। এ বিষয়ে নিরুপায় হয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে সলঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এব্যাপারে শহিদুল ইসলাম,ইমরানসহ তাদের সাথে কথা হলে বিষয়টা অস্বীকার করে বলেন আমরা তাদেরকে মারধর করার উদ্দেশ্য যায় নাই। তারাই আসছে লাঠি-সঠা নিয়ে মারতে। তারা যে রাস্তা দিয়েছে আমরা ওই রাস্তা দিয়েই চলাচল করি। বছরে কয়েকবার এই রাস্তারটি প্রয়োজন হয় বলেই আমরা রাস্তার বেড়াটি তুলে ফেলেছি।
এ ব্যাপারে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম জানান,এই জিডিটি বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Please follow and like us: