বাগেরহাটের শরণখোলায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) বিকাল ৫ টায় উপজেলা সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা। মিছিলটি পাঁচরাস্তা থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাবের সামনে এসে মানববন্ধন করেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, শরণখোলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান সিপাই, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. মামুন গাজী, যুবদল নেতা ও শরণখোলা সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আবুল বাশার খান, শরণখোলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি, শরণখোলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক বায়েজিদ হোসেন, ছাত্রদলনেতা ইব্রাহিম আকন সাকিব ও ৪নং সাউথখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি তারিকুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, শরণখোলা উপজেলা সদর রায়েন্দা গ্রামীণ হাসপাতালের নিচে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন মাহামুদুল হাসান। তার চিকিৎসা ব্যবস্থা ভাল এবং রোগী বেশি হওয়ায় তার বিরুদ্ধে একই এলাকার শোহাগ শেখ নামে অপর একজন চিকিৎসক ও তার সহযোগী স্থানীয় হেলাল তালুকদার বিভিন্ন সময় হয়রানি ও ভুয়া ডাক্তার অপবাদ দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন।
এমনকি গত মাসখানেক আগে মাহামুদুল হাসানকে হেনস্তা করতে দুইটা হাইয়েক্স গাড়ি ভাড়া করে বাগেরহাট থেকে কয়েকজন সাংবাদিক হায়ার করে নিয়ে আসেন সোহাগ শেখ নামে ওই চিকিৎসক। এসময় চিকিৎসক মাহামুদুল হাসানকে এলাকা ছাড়া করার জন্য তার চেম্বারে গিয়ে দরজা লাগিয়ে হুমকি ধামকি প্রদান করেন সেই সাংবাদিকেরা। কিন্তু ওই ঘটনা দেখে স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে বাগেরহাটে কর্মরত ডিবিসি টেলিভিশনের প্রতিনিধি সৈকত মন্ডল বাদী হয়ে বাগেরহাট সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান শিমুল, চিকিৎসক মাহামুদুল হাসান, শরণখোলা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক মনিরুজ্জামান সেপাই, বিএনপি নেতা শরিফুল ইসলাম মিলন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মামুন গাজী, আলিম আল রাজি মুক্তি, মৃত সুমন সরদারসহ দশ জনকে আসামি করে বাগেরহাট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
ওই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করলে আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দিবেন বলেও জানান বক্তারা।