‘রুখো জঙ্গিবাদ’ এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সিরাজগঞ্জে হোলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলার ৭ম বছরে নিহতদের স্বরণ করা হয়েছে।
৩০ জুন (শুক্রবার) সন্ধ্যায় ফারাজ আইয়াজ স্মৃতি পরিষদ এর আয়োজনে সিরাজগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার (মুক্তির সোপানে) সংক্ষিপ্ত আলোচনায় উঠে আসে সেই নারকীয় হত্যাযজ্ঞের লোমহর্ষক বর্ণনা। পরে নিহতদের স্বরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করে প্রদীপ প্রজ্জলন করা হয়।
সিরাজগঞ্জ ফারাজ আইয়াজ স্মৃতি পরিষদ এর সভাপতি প্রদীপ সাহার সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন, সিরাজগঞ্জ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক, ইমরান মুরাদ, অরুণ ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক, মঞ্জুরুল আলম রুবেল, সামাজিক সংগঠক, শাকিল আহমেদ শুভ প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশে জঙ্গিবিরোধী কোনো স্থান নাই। এমন নারকীয় হত্যাকান্ড যেনো পৃথিবীর কোথায় না হয়, সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মকে যেন আমরা না হারাই। ১ লা জুলাই জঙ্গিবাদ বিরোধী দিবস ঘোষণা করার জোর দাবি জানায় বক্তারা।
উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ১ লা জুলাই স্থানীয় সময় রাত ৯:২০ মিনিটে, নয়জন হামলাকারী ঢাকার গুলশান এলাকায় অবস্থিত হলি আর্টিজান বেকারিতে গুলিবর্ষণ করে। হামলাকারীরা বোমা নিক্ষেপ ও কয়েক ডজন মানুষকে জিম্মি করে এবং পুলিশের সঙ্গে তাদের গুলি ও বোমাবর্ষণের ফলে অন্তত চার পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়। এই ঘটনায় মোট ২২ জন মানুষ নিহত হয়।
নিহতদের মধ্যে ফারাজ আইয়াজ হোসেন ছিলেন ২০ বছর বয়সী বাংলাদেশী তরুণ। তিনি লতিফুর রহমান, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং শাহনাজ রহমান এর নাতি ছিলেন। ফারাজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়াতে অবস্থিত এমরি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং দূর্ঘটনার সময় তিনি গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন।