কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের হেসাখাল ইউনিয়নের দায়েমছাতি পশ্চিম বাজারে হেসাখাল পূর্ব পাড়ার স্কুল শিক্ষক গোলাম ফারুক ভূঁইয়ার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া নিজ নামে বিএস খতিয়ানভুক্ত জমিতে ২০ বছর পূর্বে নির্মাণ করা দোকান ঘর দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে জাকের হোসেনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত জাকের হোসেন মঙ্গলবার গভীর রাতে শিক্ষক গোলাম ফারুক ভূঁইয়ার মালিকানাধীন দোকানের সামনে বালু ফেলে ও তালা লাগিয়ে দেয়। এছাড়াও জাকের হোসেন ওই শিক্ষকের নিকট ১০লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে জানান ভুক্তভোগী শিক্ষক গোলাম ফারুক ভূঁইয়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হেসাখাল গ্রামের শিক্ষক গোলাম ফারুক ভূঁইয়া, তার মা ও ভাই বোনদের নামে ৫৮৯ নং বি এস খতিয়ান সৃজিত হয়। ওই খতিয়ানের ৫৫৬৩ দাগে ২০ শতক জমিতে ৩ বোন, ২ভাই এবং তাদের মায়ের মালিকানা রয়েছে। ওই জমিতে শিক্ষক গোলাম ফারুক ভূঁইয়ার ছোট ভাই ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া খতিয়ানের অংশ অনুযায়ী ৫শতক জমির মালিক হন। তাদের মা জীবিত অবস্থায় ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়ার মৃত্যু হওয়ায় ওই জমিতে তার মা কিছু সম্পত্তির মালিক হয়। কিন্তু মরহুম ফরিদ আহমেদের ওয়ারিশগণ হিস্যা বহির্ভূত ভাবে গোপনে এই দাগে ৮ শতক জমি বিক্রি করে ফেলে একই গ্রামের জাকের হোসেনের নিকট। এ দলিলের বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে মামলা করে গোলাম ফারুক ভূঁইয়া, যার নং ১৭৪/২৫। এনিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে বলে জানান স্থানীয়রা
নাঙ্গলকোট এ আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক গোলাম ফারুক ভূঁইয়া বলেন, আমার জমিতে নির্মিত দোকান ঘর জাকের গত কিছুদিন যাবৎ জোরপূর্বক দখল চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার গভীর রাতে সে আমার দোকানের সামনে বালু ফেলে ও তালা লাগিয়ে দেখলের চেষ্টা করে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে সে আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।
অভিযুক্ত জাকের হোসেন বলেন, আমি ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়ার ওয়ারিশদের নিকট থেকে জমি ক্রয় করেছি, আমার ক্রয়কৃত জমিতে আমি বালু রেখেছি। আমি কোন চাঁদা দাবি করিনি।
নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ এ কে ফজলুল হক বলেন, এঘটনায় কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









