সৌদি আরবে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত বাংলাদেশের মুফতী নাসরুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।
এ ঘটনায় শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে সোমবার বিকেলে তার গ্রামের বাড়ি ঢালুয়া ইউনিয়নের বদরপুরে ছুটে যান নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রায়হান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার প্রতিনিধি উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক মনিরুল ইসলাম।
এসময় নিহত মুফতী নাসরুল্লাহ বদরের এতিম সন্তানদের কান্নায় পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে। পরিবারের পক্ষ থেকে নিহতের বৃদ্ধ পিতা হাফেজ মোহাম্মদ উল্লাহ কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার একটি মাত্র বসত ঘরে চার ছেলে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছে।নিহত নাসরুল্লাহ আমার ৩য় ছেলে এবং সে তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে তার কর্মস্থল ঢাকার কামরাঙ্গিরচর জামিয়া আরাবিয়া রবিউল উলুম মাদ্রাসার পাশে একটি ভাড়া বাসায় থাকতো।এখন তার স্ত্রী ও তিন সন্তান কোথায় থাকবে এবং কীভাবে ভবিষ্যতে চলবে। তার বড় ভাই মাওলানা আহছানউল্লা উপজেলা প্রশাসনের নিকট, প্রশাসনের সহযোগিতায় নিহতের লাশ সহজে দেশে এনে দাফন করার ও তিন অবুঝ সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন আবেদন জানান।গ্রামবাসীর পক্ষে মুফতী সাজ্জাদ হোসাইন রাহাত বলেন, এই মুহূর্তে নিহতের পরিবারের মাথা গোঁজার জন্য একটি বসত ঘর দরকার।
তার লাশ বাংলাদেশে আনার জন্য যত রকম আইনী সহায়তা প্রয়োজন সকল রকম সহযোগীতা করার আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রায়হান।
এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম নগদ অর্থ প্রদান করেন এবং তার পরিবারকে একটি বসত ঘর নির্মাণ করে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।
খবর শুনার পর থেকে নিহতের বাড়িতে সান্ত্বনা দিতে আত্মীয় স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী বিভিন্ন এলাকার লোকজন ছুটে আসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কলিমুল্লাহ্ চেয়ারম্যান, যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কাজী ফয়সালসহ অনেকে।









