আগৈলঝাড়া প্রতিনিধিঃজাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সারা দিয়ে দেশকে পরা ধীন থেকে, শক্রর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য যৌবনের উদ্দামে জীবনকে বাজী রেখে বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের পশ্চিম সুজনকাঠি গ্রামের গৌরঙ্গ লাল সরকারের ছেলে ক্ষিতিশ সরকার সেদিন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলে ন। ৭১’র স্বাধীনতা যুদ্ধে যে যুবকটি পাকিস্তানি হায়নাদের সাথে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছে। আজ সেই মুক্তিযোদ্ধা ৭১’র যুবক মুক্তিযোদ্ধা ক্ষি তিশ সরকার তিনি আজ জীবন যুদ্ধে সন্ধিখনে কখনো হাসপাতালে আবার কখনো ভাড়া বাসায় অচেতন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। আজ তিনি জীবন যুদ্ধে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তার বাক শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। কিন্তু তার চিকিৎসার খোঁজখবর আজ আর কেউ নেয়না। অর্থের অভাবে তার পরি বার চিকিৎসা করাতে পারছে না। মুক্তিযোদ্ধা ক্ষি তিশ সরকারের স্ত্রী মেনুকা সরকার ও মেয়ে ললি তা সরকার বৃষ্টি’র সাথে কথা বলে জানা গেছে, ক্ষিতিশ সরকার ৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে যায় তখন শক্ররা তার বসতঘর আগুন দিয়ে পুড়ে ফেলে। যুদ্ধে দেশ স্বাধীন হলো কিন্তু ক্ষিতিশ সর কার বাড়ি এসে দেখে তার বসত ঘর নেই। তার কোন সম্বল ছিলা না যে একখানা ঘর তুলবে। সেই থেকে দিন মজুরের কাজ করে স্ত্রী ও সন্তান দের নিয়ে অন্যের বাড়ি ভাড়ায় থাকছে। তার স্বপ্ন ছিলো একটি বসত ঘর তুলবে, বৃদ্ধ বয়সে সেখা নে বসবাস করবে তার সে আশা আর পূরণ হল না। দেশ স্বাধীন হলেও সে থাকলো পরাধীন। এক বছর পূর্বে হঠাৎ মুক্তিযোদ্ধা ক্ষিতিশ অসুস্থ হয়ে পরলে তাকে ডাক্তার দেখালে ডাক্তার পরামর্শ দেয় মুক্তিযোদ্ধা ক্ষিতিশকে উন্নত চিকিৎসা করাতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা ক্ষিতিশ কে চিকিৎসা করাতে হলে প্রায় ৫ লাখ টাকার দরকার হবে। কিন্তু তার সেই অর্থ ছিল না। মুক্তিযোদ্ধা ক্ষিতিশ আগস্ট মাসের প্রথম দিকে আবার ব্রেনষ্টক করেন। তাকে ঢাকামেডিকেল কলেজ হাসপাতা লে চিকিৎসা জন্য নেওয়া হয়। কিন্তু অর্থা ভাবে তাকে ভালো চিকিৎসা করাতে না পেরে আগৈলঝাড়ার ভাড়া বাসায় নিয়ে আসে তার পরিবার। তার চিকিৎসার জন্য টাকা জোগার করা র মতো তাদের কোন সামর্থ নেই। তাই মুক্তিযোদ্ধা ক্ষিতিশ সর কার এখন জীবন যুদ্ধে পাঞ্জা লড়ছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে মুক্তিযোদ্ধা ক্ষিতিশ সরকার এর পরিবারের দাবী মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসার জন্য তার সহযোগিতা কামনা। এ ব্যাপারে উপজেলা মুক্তি যোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্ম কর্তা বিপুল চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের বলেন, মুক্তি যোদ্ধা ক্ষিতিশ সরকার এর পরিবার থেকে মুক্তি যোদ্ধা কমান্ডের কাছে কোন সহযোগিতা চাওয়া হলে সাধ্যমত সহযো গিতা করা হবে। সরকারি ভাবে কোন সহযোগিতা করা হয়েছে কিনা তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে সহযোগিতা করা হয়। সেখানে যোগাযোগ করা হলে আমি বলে দিব।









