সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় পার্টি(জাফর) এর মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন বলেছেন, ‘বর্তমানে দেশের ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে রয়েছে আমেরিকাসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তারা চায়, দেশে একটি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। অথচ শেখ হাসিনা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দিতে নারাজ। কারণ তিনি নিজেও জানে, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে আ’লীগের ভরাডুবি হবে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে ভোটারবিহীন নির্বাচনে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেছে, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে যদি শেখ হাসিনা আবারও ভুল করে জোর করে ক্ষমতায় আসে, তাহলে তিন মাসের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। শেখ হাসিনার অধীনে কোন রাজনৈতিক দল নির্বাচনে যাবে না’। লিংকন শনিবার দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এসব কথা বলেন। উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ চৌধুরীর পাশার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমেদের ভাতিজা ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান কাজী নাহিদ।
তিনি বলেন, ‘কাজী জাফর বর্ণাঢ্য জীবনে মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে বাংলাদেশের অষ্টম প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়ে চৌদ্দগ্রামে বিদ্যুতের ব্যবস্থা, শিল্পনগরী ও দুইটি সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। ওই সময় চৌদ্দগ্রামের রাজনীতিতে কোন হানাহানি ছিল না। জাতির আজ দুঃসময়ে কাজী জাফরের বড় প্রয়োজন ছিল’। উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির আহবায়ক কাজী শহিদের পরিচালনায় এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব কাজী মোহাম্মদ নজরুল, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক খবির আহম্মেদ মজুমদার, জাতীয় পার্টির গুণবতী ইউনিয়ন আহবায়ক জাকির হোসেন জগির, ঘোলপাশার আহবায়ক জামাল হোসেন মেম্বার, মুন্সিরহাট ইউনিয়ন আহবায়ক নুর হোসেন, আলকরা ইউনিয়ন আহবায়ক জহিরুল ইসলাম, সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বাবুল, উপজেলা যুবসংহতির নেতা কাজী মোস্তাফিজুর রহমান ছুট্টু, জাতীয় ছাত্রসমাজের নেতা কাজী রাসুল ইসলাম প্রমুখ। পরে এক বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার প্রদক্ষিণ করে। বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাতীয় পার্টি, যুব সংহতি, ছাত্রসমাজ, ওলামা পার্টিসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।









