নাজিম হাসান,রাজশাহী প্রতিনিধি: আজ রোববার অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে সকাল দশটায় এর উদ্বোধন করবেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এছাড়া কেন্দ্রীয় নেতারা সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন।এই সম্মেলন উপলক্ষে রাজশাহীতে এখন সাজ সাজ রব। ব্যানার- ফেস্টুনে ভরে গেছে নগরীর বিভিন্ন এলাকা। শোভা পাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন তোরণ। আর সম্মেলনের কারণে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন পদপ্রত্যাশী নেতারা। কে আসছেন, কে বাদ পড়ছেন এই হিসাব-নিকাষ কষছেন তারা। পদপ্রত্যাশী নেতাদের পাশাপাশি তাদের সমর্থকদের মাঝেও গতকাল দেখা গেছে উৎকণ্ঠা। দলীয় নেতাদের পাশাপাশি অনেকেই গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে জানতে চাইছেন, কী হতে যাচ্ছে সম্মেলনে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূলের নেতাদের চাওয়া অনুযায়ী এবং বিতর্ক এড়াতে শনিবার বিকাল পর্যন্ত সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কাউন্সিলরদের ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি ছিলো। তবে আজ কাউন্সিলরদের ভোট গ্রহণ করা হবে, নাকি কেন্দ্রীয় নেতারা ভোট ছাড়াই সভাপতি-সম্পাদকের নাম ঘোষণা করে যাবেন তা নিয়ে আশায় আছেন তৃণমূলের নেতারা। ভোট ছাড়া কাউকে নেতৃত্বে আনা হলে তা শুধু দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনাই সিদ্ধান্ত দেবেন বলে দলের স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন।এদিকে শনিবার সকালে সম্মেলন মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, মঞ্চের টুকটাক কাজ বাকি। মাঠে মাইক লাগানো হয়েছে ইতিমধ্যে। সব কাজ তদারকি করছিলেন সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক প্রবীণ নেতা মেরাজ উদ্দিন মোল্লা। অপরদিকে সম্মেলন উপলক্ষে নেতাদের ব্যানার-ফেস্টুনে ভরে গেছে পুরো রাজশাহী মহানগরী। নগরীর প্রবেশদ্বারসহ বিভিন্ন স্থানে মোট ৩০টি তোরণও নির্মাণ করা হয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। এর মধ্যে সম্মেলনস্থলের প্রধান তোরণটি উৎসর্গ করা হয়েছে জাতীয় চার নেতার অন্যতম রাজশাহীর কৃতি সন্তান শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানকে। অন্য তোরণগুলো উৎসর্গ করা হয়েছে দলের প্রয়াত অন্য নেতাদের। সম্মেলনে আওয়ামী লীগের জেলার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে শুরু করে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেবেন। তবে কাউন্সিলর থাকবেন ৩৬০ জনের মতো। এবার জেলা আওয়ামী লীগের ২১ জন উপদেষ্টাও কাউন্সিলর হবার সুযোগ পাচ্ছেন। উল্লেখ্য,রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন হয়েছিল ২০১৪ সালের ৬ ডিসেম্বর। ওই সম্মেলনে শুধুমাত্র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করে চলে যান কেন্দ্রীয় নেতারা। এর প্রায় এক বছর পর পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।









