১৫ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২রা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • কৃষি সংবাদ
  • বগুড়া আদমদীঘিতে প্রচন্ড তাপদাহঃ স্বস্তি ডাবের পানি : বেড়েছে ডাবের চাহিদা।

বগুড়া আদমদীঘিতে প্রচন্ড তাপদাহঃ স্বস্তি ডাবের পানি : বেড়েছে ডাবের চাহিদা।

আতিকুর হাসান সজিব, আদমদিঘী,বগুড়া করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : মে ০১ ২০২১, ১৯:০২ | 631 বার পঠিত

বগুড়া আদমদীঘিতে প্রচন্ড তাপদাহ ও ভ্যাপসা গরমে বেড়েছে  ডাব ও তরমুজসহ ফলমূলের কদর। একদিকে বৈশাখের তীব্র গরম অন্যদিকে পবিত্র রমজান মাস হওয়ায় এসব ফলমুলের চাহিদা বেড়েছে জনসাধারণের মধ্যে। প্রতিদিনই আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের রেলগেট এলাকায় বিকেলের পর থেকেই এসব ফল কিনতে ভিড় দেখা যায়। দোকানিরাও পাড়া মহল্লায় ভ্যানগাড়ি করে বিক্রি করছে এসব ফল। তবে রমজান মাস হওয়ায় ইফতারে তরমুজের পাশাপাশি বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে ডাবের পানি।
ক্রেতারা বলছেন, গরমকাল মানেই আমরা সব সময় খুঁজতে থাকি প্রশান্তির ছায়া। আর এই গরমের মধ্যে বাইরে বের হলেই আমরা শরীর ও মনকে ঠাণ্ডা রাখতে চাই। আর এ জন্য প্রাকৃতিকভাবে ঠাণ্ডা থাকাটা অনেক জরুরি।সে ক্ষেত্রে যাদুকরী ভূমিকা পালন করে ডাবের পানি। এছাড়াও সারাদিন রোজা থেকে ইফতারে ডাবের পানি অন্যরকম তৃপ্তি দেয়। ইফতারে ডাবের পানি পান করে রোজা রেখে অনেক তৃপ্তি পাওয়া যায়। তাই ডাবেরও দাম বেড়ে গেছে। ছোট সাইজের প্রতি পিস ডাব বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায় আর বড় সাইজের ডাব বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। ডাব বিক্রেতা আসলাম হোসেন জানান, ডাবের মূল্য বেশি হওয়ায় ও এই মৌসূমে সরবরাহ কম থাকায় ক্রেতার চাহিদামত ডাব বিক্রি করতে পারছি না।
ক্রেতা মিজান বলেন, সারাদিন রোজা রেখে ডাবের পানি দিয়ে ইফতার করতে ভালো লাগে তাই ডাব কিনেছি। দাম যদিও  বেশি তবে ডাবের পানি দিয়ে ইফতারে বেশ তৃপ্তি পাই।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4527635আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 2এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET