৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ২৫শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-




মিয়ারচর-শক্তিয়ারখলা সড়ক নয় যেন মরণ ফাঁদ, দেখার কেউ নেই

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : মার্চ ১৫ ২০২০, ২৩:৩৫ | 976 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের শক্তিয়ারখলা থেকে মিয়ারচর পর্যন্ত ৩কিলোমিটার সড়ক না যেন দিন দিন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের গাফিলতির কারেন ও বিকল্প সড়ক না থাকায় দীর্ঘদিন ৫বছর ধরে জনগুরুত্বপ‚র্ণ এই সড়কটি দিয়ে বেহাল অবস্থার মধ্যে দিয়ে প্রতিদিন ৫টি ইউনিয়নের শিক্ষার্থী,ব্যবসায়ীসহ সর্বস্থরের মানুষ চলাচল করছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। ফলে ঘটছে নানান দুর্ঘটনা। যেন দেখার কেউ নেই।

জানাযায়, জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের মিয়ারচর, বাগগাওঁ সহ ৭/৮টি গ্রামের ও তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট উত্তর, বড়দল উত্তর, উত্তরশ্রীপুর, দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ লক্ষাধিক মানুষ ছাড়াও তাহিরপুর উপজেলার তিনটি শুল্কবন্দরের ব্যবসায়ীগন এই সড়কটি দিয়ে চলাচল করে। ঐসব ইউনিয়ন গুলোর মানুষজন জেলা শহরের সাথে যাতায়াতের একমাত্র সড়ক মিয়ারচড়-শক্তিয়ারখলা সড়ক। এই সড়কটির ৩কিলোমিটার অংশ সম্পূর্ন ভাঙ্গন,গর্ত ও খানাখন্দে ভরপুর থাকার কারনে মটরসাইকেল,সিএনজি,টমটম,লাইট্রেস,পিকআপসহ ভারী যানবাহন চলাচল করছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। ঐসব যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে ধুলার আস্তরন পড়ছে ও মারাতœক ভাবে ধুলাবালিতে আক্রান্ত হচ্ছে সড়কের পাশে বাড়ি-ঘরের পাশাপশি চলাচলকারী যানবাহনের যাত্রী ও পায়ে হেটে চলাচলকারী লোকজন। ফলে স্বাস কষ্ট সহ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

এলজিইডি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কার্য্যালয় সুত্রে জানাযায়,এই সড়কটি ১কোটি ৩১লক্ষ টাকা ব্যায়ে রাস্তার সংস্কার কাজ অনুমোদন হয়েছিল। টেন্ডার দেওয়া কিন্তু টেন্ডার পাওয়া ঐ কন্ট্রাকটার বর্তমান কাজের খরচের সাথে বরাদ্ধের পরিমান কম হওয়ায় অপরাগত প্রকাশ করায় আর কাজ শুরু হয় নি। এর থেকে এভাবেই আছে।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিয়ারখলা গ্রামের বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন,এই সড়কটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহন দিয়ে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ দুই উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ চলাচল করছে। মেরামত না করায় চরম দূভোর্গেও শিকার হচ্ছে সবাই।
গুরুত্বপূর্ন এই সড়কটি দ্রæত মেরামত করার দাবী জানান বাঘগাও গ্রামের বাসিন্দা ও তাহিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের লাইব্রেরীয়ান সোহেল আহমদ সাজু। তিনি জানান,শক্তিয়ারখলা বাজারের সামনে ব্রীজ থেকে ভাঙ্গা অংশ শুরু শেষ হয়েছে মিয়ারচর ঘাটে এসে। ফলে এসড়ক দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চরম দূর্ভোগের মধ্যে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে সবাই। দ্রæত সংস্কার না হলে বড় ধরনের দূর্ঘটনা গঠবে।

এ সড়কে চলাচলকারী সিএনজি চালক আরিফ ও মটর সাইকেল চালন সাজিদ মিয়া জানান,সুনামগঞ্জ থেকে যাত্রী শক্তিয়ারখলা বাজার আসা যায় ভাল ভাবে। কিন্তু শক্তিয়ারখলা থেকে মিয়াচর নদী পর্যন্ত সম্পূর্ন রাস্তা ভাঙ্গা থাকার কারনে যাত্রী পরিবহন করতে হয় জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে।
ব্যবসায়ী আলী হোসেন সহ অনেকেই বলেন,পণ্য পরিবহনের গাড়ি চলাচল করতে না পারায় শতশত ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে পণ্য পরিবহনের গাড়ি আসতে পারছে না মিয়ারচর নৌকা ঘাঠে। ফলে মালামাল আনতে গেলে খরচের পরিমান বেশী হয়। সময়ও বেশী লাগে।

এলজিইডি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কার্য্যালয় এর প্রকৌশলী বদলী হয়ে যাওয়ার পর নতুন যোগদান না করায় বক্তব্য নেওয়া যায় নি।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ মিয়া জানান, রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সাংসদ পীর ফজলুর রহমান মিছবাহসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বলেছি। এরপর রাস্তাটি ১কোটি ৩১লক্ষ টাকা ব্যায়ে সংস্কার কাজ অনুমোদন হয়। টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল। কাজও পায় একজন কন্ট্রাক্টার কিন্তু যে টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে তা বর্তমান কাজের খরচের সাথে মিল না থাকায় এখন আবার বরাদ্ধ বাড়িয়ে টেন্ডার দিবে দিবে করে দিচ্ছে না।
তিনি আরো জানান,এদিকে এই সড়কদিয়ে চলাচল করতে গিয়ে জনগনের অবস্থা খুবেই খারাপ। আমি আগামী প্রতিটি সভায় এই বিষয়টি সবাইকে অবগত করব। যাতে করে জনদূর্ভোগ লাগবে দ্রæতই রাস্তাটির সংস্কার কাজ শুরু করে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি- আলহাজ্ব আবদুল গফুর ভূঁইয়া,সাবেক সংসদ সদস্য, প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET