২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ৯ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-

রমজানে বেশি বেশি দান করুন – ইমরান খান রাজ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, নয়া আলো।

আপডেট টাইম : মে ১২ ২০২১, ১৬:১০ | 670 বার পঠিত

দান-সদকা করার সবচেয়ে উত্তম সময় হচ্ছে রমজান মাস। রমজানে দান করলে যেমন আল্লাহ বেশি খুশি হয় ঠিক তেমনি রমজানে দান করলে সওয়াবের পরিমাণও বেশি হয়। অন্যান্য সময়ের চেয়ে রমজান মাসে দান করলে সওয়াব অধিক পাওয়া যায়। বিশ্ব নবী (সাঃ) সারাবছর যেই পরিমাণ দান-সদকা করতেন, রমজান মাস এলে তাঁর দান করার পরিমাণ বৃদ্ধি পেতো।

প্রত্যেক মুসলমানের উচিত দান-সদকা করা। কারন এর মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের অনেক বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করেন এবং প্রচুর নেকী দান করেন। যেকোনো উপায়ে দান করা যায়। খাদ্যসামগ্রী ব পোশাকের মাধ্যমে দান করা যায় আবার অর্থ দিয়েও দান করা যায়৷ তবে যার যেমন চাহিদা তাকে সেভাবেই দান করা উত্তম কাজ। যেমন যার খাবার প্রয়োজন তাকে খাবার দান করা উত্তম আর যার অর্থের প্রয়োজন তাকে অর্থ দান করাই উত্তম।

দান করলে আল্লাহ তার বান্দার ওপর খুশি হয় আবার অন্যদিকে দান করার মাধ্যমে আত্নতৃপ্তি লাভ করা যায়। নিজের কাছেই একটা অন্যরকম ভালোলাগা তৈরি হয়। আপনার বাড়ির আশেপাশের দরিদ্র মানুষ বা আপনার সমাজ ও দেশের হতদরিদ্র মানুষকে দান করা বা সহযোগিতা করা কিমবা উপকার করা একজন মুসলমান হিসেবে আপনার নৈতিক দ্বায়িত্ব। একজন মুসলমান তার জীবদ্দশায় সবগুলো ভালো কাজ করবে এবং ভালো কাজের নির্দেশ দিবে এটাই ইসলাম আমাদেরকে শিখিয়েছে। পবিত্র আল–কোরআনে দানের কথাটি সালাত বা নামাজের মতোই বিরাশিবার উল্লেখ হয়েছে।

দান করার প্রাথমিক সুনির্দিষ্ট খাতগুলো পবিত্র কোরআনে উল্লেখ হয়েছে এভাবে, ‘মূলত সদাকাত হলো ফকির, মিসকিন, জাকাতকর্মী ১ (খলিফা কর্তৃক নিযুক্ত জাকাত ব্যবস্থাপনায় কর্মরত ব্যক্তির মজুরি), অনুরক্ত ব্যক্তি, ক্রীতদাস, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি, আল্লাহর পথে জিহাদ (মানবতা, মানবাধিকার ও মানবসভ্যতার সুরক্ষার জন্য) ও বিপদগ্রস্ত বিদেশি মুসাফিরের জন্য। এটি আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞানী ও পরম কৌশলী।’ (সুরা-৯ তাওবা, আয়াত: ৬০)।

হাদিস শরিফে বলা হয়েছে, ‘ওপরের হাত নিচের হাত অপেক্ষা উত্তম।’ (মুসলিম)। অর্থাৎ দাতা গ্রহীতা অপেক্ষা শ্রেয়। দান দাতার ইহকালীন ও পরকালীন ফজিলত, সম্মান ও গৌরব বৃদ্ধি করে। তাই ইজ্জত, হুরমত ও তাজিমের সঙ্গে সযত্নে দান প্রদান করতে হয়। দান–সদকা, খয়রাত সসম্মানে পবিত্র মনে প্রাপকের হাতে পৌঁছে দিতে হয়। দানের ক্ষেত্রে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীকে অগ্রাধিকার দিতে হয়। সম্পদ ব্যয়ের সর্বশ্রেষ্ঠ খাত পিতা–মাতা। আত্মীয়দের মধ্যে ভাইবোনের হক সবচেয়ে বেশি। পাশাপাশি শ্বশুর–শাশুড়ি ও বৈবাহিক সূত্রে আত্মীয় যাঁরা, তাঁদেরও অগ্রাধিকার রয়েছে। নানা উপলক্ষে তাঁদের হাদিয়া, উপহার ও উপঢৌকন দেওয়া সুন্নাত।

আমরা আমাদের সামর্থ অনুযায়ী হালাল উপার্জন থেকে উত্তম দান করবো। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ক্ষমা লাভের আশায় দান করবো। আল্লাহ আমাদের সকলের নিয়ত সম্পর্কে অবগত।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4590183আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 5এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET