কর্মসূচি’র মধ্যে রয়েছে সকাল ১০ টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স থেকে কালীবাড়ি রোড হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত বর্ণাঢ্য র্যালি, বেলা ১১ টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ, বেলা সাড়ে ১১ টায় শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তনে আলোচনা সভা। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তনে থাকবে ফ্রি’ চিকিৎসা ক্যাম্প।
প্রসঙ্গত. ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর শহরে পাকবাহিনীর ওপর আক্রমণের পরিকল্পনা করেন মুক্তিযোদ্ধারা। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ভোররাতে মুক্তিযোদ্ধারা কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে বিভিন্ন দিক থেকে শহরে প্রবেশ করেন। পাকবাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের বিষয়টি বুঝতে পেরে রাতেই সুনামগঞ্জ শহর ছেড়ে পালিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করার পর স্থানীয় ছাত্র-জনতা মুক্তির আনন্দে শহরের রাস্তায় নেমে আসেন। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিকামী জনতার ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে প্রকম্পিত হয় পুরো শহর। প্রতিবছর এই দিনটি আসলে নানা স্মৃতিচারণ করেন মুক্তিযোদ্ধারা।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার নুরুল মোমেন জানালেন, ৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় এবার অন্য বছরের চেয়ে ব্যতিক্রমী কিছু মানবিক কর্মসূচীও রয়েছে।








