ঢাকার দোহার উপজেলার বাজারে বাজারে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা তালের শাস৷ উপজেলার প্রতিটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে বাজারের বিভিন্ন স্থানে বিক্রেতারা তালের শাস বিক্রয়ের জন্য অস্থায়ী দোকান স্থাপন করেন। তাল বা তালের শাসে ফরমালিন না থাকায় সব বয়সের মানুষই এই ফল খেতে খুব পছন্দ করে। গরমে তালের শাসের ব্যাপক চাহিদা থাকে। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, স্কুল-কলেজেরর সামনে ও বিভিন্ন সড়কের মোড়ে কাঁচা তালের শাস বিক্রির চিত্র দেখা যায়।
নারিশা বাজার গার্লস স্কুল মোড়ের তাল বিক্রেতা মো. মহিদুল বলেন, এখন কাঁচা তালের শাস বিক্রি করার মৌসুম চলছে। তালের শাস ছোট-বড় সব বয়সের মানুষ ই কিনে। প্রতিবছর গরমে কাঁচা তালের শাস বিক্রির ব্যাপক চাহিদা থাকলেও এবছর করোনাভাইরাসের কারনে চাহিদা কিছুটা কমে গেছে। তবে বিক্রি মোটামুটি ভালো হচ্ছে বলেই জানান তিনি।
মেঘুলা বাজারের তাল বিক্রেতা মো. আল-আমিনের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতি পিছ শাস ৫ থেকে ৮ টাকায় বিক্রি হয় এবং আকারভেদে প্রতি পিছ কাঁচা তাল ১৫ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গড়ে প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত তালের শাস বিক্রি করে থাকে তিনি।
নারিশা বাজারের কাঁচা তালের পাইকার মো. কালাম জানায়, এবছর তালের উৎপাদন গতবারের চেয়ে বেশি। তবে করোনাভাইরাস এর দূর্যোগের কারনে এইবার বিক্রির চাহিদা কিছুটা কমে গেছে। একশো পিছ তাল পাইকারি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় কেনেন বলে জানায় তিনি। প্রতিবার ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাল সংগ্রহ করতে পারলেও এবার লকডাউনের কারনে একটু বেশি দামেই দোহারের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাল সংগ্রহ করছেন তিনি।
নারিশা বাজারে কাঁচা তালের শাস ক্রেতা মো. রাশেদুল ইসলাম জানান, কাঁচা তালের শাস গরমে অনেক স্বস্তিদায়ক। কয়েকটা তালের শাস খেলে গরমের তীব্রতাও কমে যায় এবং দামটাও হাতের নাগালের মধ্যেই। তাই প্রতিদিন কমবেশী তালের শাস খাওয়া হয়।









