, , ,

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • দেশজুড়ে
  • ফুলবাড়ীতে ঘনকুয়াশা আর কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত




ফুলবাড়ীতে ঘনকুয়াশা আর কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

মোঃ আবু শহীদ, ফুলবাড়ী,দিনাজপুর করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : ডিসেম্বর ৩১ ২০২৫, ০০:১৫ | 814 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

উত্তরের জনপদ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীসহ আশপাশের এলাকা যেন পৌষের শুরুতেই এক গভীর নীরবতায় ঢেকে গেছে। ঘন কুয়াশা আর হিমালয়ের হিমেল হাওয়ার দাপটে তীব্র শীত ও প্রচন্ড ঠান্ডায় জনজীবন স্তবির হয়ে পড়েছে। খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছে চরম দুর্ভোগ ও ভোগান্তিতে। শীতের তীব্রতা বদলে দিয়েছে মানুষের প্রতিদিনের চলার গতি, জীবনের ছন্দ আর স্বাভাবিক কাজকর্ম।
সারা দিনেই মেঘের চাদরে ঢাকা আকাশ আর সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই চারপাশ ঢেকে যাচ্ছে ধূসর কুয়াশায়। রাত যত গভীর হচ্ছে, শীতের তীব্রতাও তত বাড়ছে। ভোরের দিকে কুয়াশার ঘনত্ব এতোটাই বেড়ে যায় যে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো ঝরতে দেখা যায়।
এদিকে ফুলবাড়ী ও আশপাশের জনপদগুলো সন্ধ্যার পরপরই জনশূন্য হয়ে পড়ছে। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই উপজেলার বাজারগুলো জনশূণ্য হয়ে পড়ছে। ঘণ কুয়াশার কারণে যান চলাচল মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে যানবাহন,জ্বালাতে হচ্ছে হেডলাইট ফলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে বাড়ছে ভোগান্তি। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। তিব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন বৃদ্ধ, শিশু ও দিনমজুর শ্রেণির মানুষ। শিতের তীব্রতায় অনেক দিনমজুর কাজে যেতে পারছেন না। ফলে আয় বন্ধ হয়ে পরিবার নিয়ে চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে তাদের।
শীত নিবারণের জন্য অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুনের তাপ নিচ্ছেন। অন্যদিকে গবাদিপশুর শীত নিবারণে ব্যবহার করা হচ্ছে চটের বস্তা। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ডিসেম্বর) থেকে কুয়াশার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমতে পারে। এতে শীতের মাত্রা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পৌর শহরের রিকশা চালক মুনছুর আলী বলেন, তীব্র শীতের কারনে লোকজন ঘরের বাইরে তেমন বের হচ্ছে না, যাত্রীর অভাবে আয় রোজগার কমে গেছে।
আদিবাসী নারী কৃষি শ্রমিক ইতি মুর্মু বলেন, শীতের কারণে জমিতে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। কাজ করতে গেলে ঠান্ডায় হাত-পা অবস হয়ে আসছে। হিমেল হাওয়া আর কনকনে শীতের কারণে কাজে নেমেও জমিতে টিকে থাকা যাচ্ছে না বলে কাজে যাওয়া বন্ধ রেখেছেন দুদিন থেকে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, শীতার্তদের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রথম পর্যায়ে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়ায় সেখান থেকে ৩ লাখ টাকা দিয়ে ৯৫০ টি কম্বল কিনে দুস্থ শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। একই সাথে জেলা প্রশাসন থেকে আরও ৩৪০ টি কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। সেগুলোও বিতরণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। সেই টাকাসহ প্রথম পর্যায়ে অবশিষ্ট ৩ লাখ টাকা মোট ৬ লাখ টাকার কম্বল কিনে সেগুলো দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET