, , ,

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • করোনা-ভাইরাস
  • তাহিরপুরে টেকানো যাচ্ছেনা বহিরাগতদের আগন, করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার আশংকা উপজেলা জুড়ে




তাহিরপুরে টেকানো যাচ্ছেনা বহিরাগতদের আগন, করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার আশংকা উপজেলা জুড়ে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : এপ্রিল ২৭ ২০২০, ১৮:১১ | 797 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

সুনামগঞ্জ জেলা লকডাউন ঘোষানা করা হলেও উপজেলার গ্রামগুলোতে বহিরাগত মানুষের জনস্রোত টেকানো যাচ্ছেনা। গত কয়েকদিনে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর থেকে আসা লোকজনের মধ্যে তুলনামূলক বেশি সংখ্যায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণে শনাক্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এ উপজেলায় ইতোমধ্যেই প্রায় কয়েক হাজার নারী-পুরুষ ও শিশু ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর থেকে বিভিন্ন গ্রামে রাতের আধারে ও ভোরে প্রবেশ করেছে। যারা ঢাকা সহ দেশের হটস্পট (করোনা ঝুকিপূর্ণ অঞ্চল) নারায়ণগঞ্জ জেলা থেকে এ পর্যন্ত এসেছেন তারা সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে গ্রামের হাট বাজারে, ক্ষেতে খামারে ও প্রতিবেশীর সাথে অবাধে মিলামেশা করছেন। তারা শুনছেন না কারও কথা, বরং নানা উপদেশ দিচ্ছেন তারা। অপরদিকে ইতোমধ্যে যারা বাহিরের জেলা থেকে এসেছেন তারা বলেছেন, নিয়মিত খাদ্য সামগ্রী না পেয়ে পেটের দায়ে লকডাউন বা হোমকয়ারেন্টন অমান্য করে ঘর থেকে বের হতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে তাহিরপুর উপজেলার পাশ্ববর্তী বিশ্বম্ভরপুর ও জামালগঞ্জ উপজেলায় করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত হওয়া দুজনের বয়স মাত্র ১২ বছর। এই দুই শিশু থাকতো তাদের মায়ের সাথে ঢাকা নারায়ণগঞ্জে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্র সূত্র জানা যায়, প্রথমদিকে তাহিরপুর থেকে ২২জনের নমুনা সংগ্রহ করে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য পাঠানো সবগুলোই নেগেটিভ আসে। গত বৃহস্পতিবার ও শনিবার আরও ১৬টি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। যার ফলাফল এখনও আসেনি।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিনে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ অন্যান্য জেলা থেকে হাজারো নারী, পুরুষ ও শিশু প্রবেশ করেছে তাহিরপুরে। যারা এসেছেন তাদের সবাইকে সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। কারন অনেকেই গোপনে এসে আত্মগোপনে আছেন, আবার কেউ কেউ গা ঢাকা দিয়ে আছেন। তবে এদের মধ্য থেকে এ পর্যন্ত ৪৮৪ জনকে হোম কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে। অপরদিকে এ পর্যন্ত ৮৫ জনকে ১৪দিন হোম কোয়ারান্টাইনে থাকার পর ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। বাকি ৩৯৯ জন এখনো হোম কোয়ারান্টাইনেই আছেন।

তাহিরপুর উপজেলাকে কতোটা ঝুঁকিপূর্ণ বা ঝুঁকিমুক্ত বলে মনে করছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচএফপিও) ডা. মো. ইকবাল হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত যেসব নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে তাতে ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। আরও কয়েকটির ফলাফল এখনও হাতে আসেনি। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত কীট না থাকায় সীমিত পরিসরে নমুনা সংগ্রহ করে পাঠাতে হচ্ছে তাদের। তাহিরপুরে এখনও কোন রোগী সনাক্ত হয়নি বলে তাতে হাঁফছেড়ে বাঁচার কোন কারণ দেখছেন না তিনি।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জি জানান, পার্শ্ববর্তী দুই উপজেলায় করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে, যা তাহিরপুর উপজেলার জন্য সংকেত বার্তা বলে মনে করছেন তিনি। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, দেশের হটস্পট (করোনা ভাইরাস ঝুকিপূর্ণ এলাকা) থেকে তাহিরপুরে প্রায় সহস্রাধিক নারী, পুরুষ ও শিশু প্রবেশ করেছে বলে আমরা জেনেছি, এদের মধ্যে অনেককে হোম কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, বাহিরের জেলা থেকে আগতদের মধ্যে অনেকগুলো পরিবারকে আমরা লকডাউনে রেখেছি এবং তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য দেয়া হচ্ছে।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET