কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের রাজাপাড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আবদুস সাত্তারের ঘরে চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের গণপিটুনিতে অজ্ঞাত এক যুবকের (৪৫) মৃত্যু হয়েছে। রবিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। চোরদল আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী মালেকা বেগমের রুমে গিয়ে নামাজরত অবস্থায় তাকে মারপিট করতে থাকে। এসময় তিনি প্রাণ ভয়ে নিজের গলা, কান ও নাক থেকে স্বর্ণালংকার খুলে দেয় ও মোবাইল ফোন এবং নগদ ২লাখ টাকা দিয়ে দেয়। খবর পেয়ে সোমবার সকালে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম ও উপ পরিদর্শন সুমিত চৌধুরী সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, উপজেলার রাজাপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আবদুস সাত্তার ও তার একমাত্র ছেলে প্রবাসে কর্মরত। সম্প্রতি পুত্রবধূর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় তার ছেলের। পুত্রবধূর দেনমোহরের টাকা দেয়ার কথা ছিল সোমবার। ফলে বাড়িতে একা থাকেন আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী মালেকা বেগম। রবিবার দিবাগত রাতে ঘরের জানালার গ্রীল কেটে মুখোশ পরা এক জন’সহ ৪ চোর তাদের ঘরে প্রবেশ করে নামাজরত মালেকাকে মারপিট করে স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। চুরি শেষে চলে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা গ্রামে চোরের উপস্থিতি বুঝতে পেরে মসজিদের মাইকে ডাকাত-ডাকাত বলে ঘোষণা দিলে সবাই বের হয়ে চোরদের ধাওয়া করে। এসময় ৩চোর পালিয়ে গেলেও এক চোরকে বিলের পানি থেকে আটক করে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ আ স ম আব্দুন নূর বলেন, চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের হাতে গণপিটুনির এক পর্যায়ে এক অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু হয়। লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। লাশের পরিচয় সনাক্তে সিআইডিতে অবহিত করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
Please follow and like us:









