রাশিদুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম থেকে :- পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকা এবং অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থায় কুড়িগ্রাম পৌরসভার কেন্দ্রীয় বাজার পাড়া, পুরাতন থানা পাড়া, ব্যাঙের দোলা, ট্যানারীপাড়া, কলেজপাড়া, পলাশবাড়ি, কৃষ্ণপুর, রেজিষ্ট্রিপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। পর্যাপ্ত ড্রেনের অভাব, বিদ্যমান ড্রেনগুলো ময়লায় ভরে যাওয়াসহ নানা কারণকে দায়ী করেছে এলাকাবাসী। পানি নিস্কাশন ও ড্রেন নির্মাণের বারবার প্রতিশ্রুতিতে ক্লান্ত কুড়িগ্রাম পৌরবাসী। জনদুর্ভোগ নিরসনে পৌর কর্তৃপক্ষের নীরব ভূমিকায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয়দের মাঝে।
শহরের পুরাতন পশু হাসপাতাল মোড় এলাকার বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন জানান, কেন্দ্রিয় মসজিদ থেকে পশুর মোড় পর্যন্ত রাস্তাটিতে এখন হাঁটু পানি। বৃষ্টিতে তার বাড়িতে প্রবেশের রাস্তাটি ডুবে গেছে। রাস্তায় চলতে এখন খানাখন্দে পড়ে হাত-পা ভাঙ্গার উপক্রম হয়েছে।
ব্যাঙের দোলা লুৎফর রহমান জানান, ‘বৃষ্টির পানি বের হওয়ার রাস্তা না থাকায় আমাদের বাড়ির উঠান ও রাস্তা সব পানিতে তলিয়ে গেছে। স্থানীয় কাউন্সিলর নিজে এসে নালি কেটে পানি বের করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন। প্রতি বছরই এ অবস্থা চলে। কিন্তু ভালো ড্রেন না থাকলে এ অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব না।
ট্যানারীপাড়া গ্রামের আমিনুর মিয়া জানান, মেয়র প্রতিবছর ড্রেন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে। বর্ষা আসে বন্যা যায় ড্রেন আর হয় না। এবার মেয়র কোন মুখে ভোট নিতে আসবে তা দেখা যাবে।
কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী কামাল আহম্মেদ জানান, পৌরসভার বিদ্যমান ড্রেনেজ ব্যবস্থায় পুরো এলাকার পানি নিষ্কাশন সম্ভব না। এজন্য নতুন পরিকল্পনা আছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হলে পৌরসভার জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে।
কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র মোঃ আব্দুল জলিল জানান, বাজেট না থাকায় সব এলাকায় ড্রেন নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না। বাজেট আসলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ড্রেন নির্মাণ করা হবে।









