“করুন মালা”
জয়ী রায়
তুমি আর আমি পাকিস্তানীর লেলিহান শিখার শিকার হয়েছিলাম!
মনে পড়ে-
শাপলা ভর্তি দীঘিধারে;
শেষবারের মতো হয়েছিল প্রণয়ের কথা!
ওরা বাঁচতে দিল না আমাদের স্বপ্নমালা!!
কথা ছিল পরিবার ফাঁকি দিয়ে;
হারাবো নিশ্চিন্তে,
পলাশ ঢাকা কোনো প্রান্তরে-
ওরা ছিঁনিয়ে নিয়েছে আমাদের স্বপ্নমালা!!
সেদিন সন্ধ্যাবেলা শাড়ির আঁচলে লুকিয়ে;
তোমার দেয়া সেই লাল পুঁতির মালা-
সবার চোখের আড়ালে সযত্নে রাখা,
তা নিয়ে ফিরছিলাম আপন বাড়ি!
ঠিক সেই সময়ে বুটের আওয়াজ
খট-খট-খটাশ-খটাশ-
বুকের ভিতরটা ধক করে উঠল!
এদিক ওদিক চেয়ে দেখতে না দেখতেই,
স্পর্শ করল আমায় নররাক্ষসের হাত!
আমি চিৎকার করি বাঁচার জন্যে;
কিন্তু ততক্ষণে:
আমার হলুদ শাড়ি লাল হয়ে গেছে;
পাশে ছিঁটকে পরে আছে তোমার দেয়া সেই লাল পুঁতির মালাটা!
আমি মাটি আঁকড়ে ধরি,
আস্তে আস্তে- চোখ বন্ধ হওয়ার আগে মনে পড়ে আর একবার তোমার চেহারাখানা!
চিরিরবন্দর উপজেলা







