শৈত্য প্রবাহে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জীবন কষ্টের মধ্যে যাচ্ছে তখনই সরকার থেকে প্রাপ্ত শীতবস্ত্র নিয়ে বাড়ি বাড়ি গেলেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ।
মঙ্গলবার রাত ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জ শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট, কালীবাড়ি, হাজীপাড়া, মল্লিকপুর, ওয়েজখালী, বারঘরসহ বিভিন্ন এলাকার ৫২টি পরিবারের ও রাস্তার পাশে হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন।
এসময় গভীর রাতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদকে দেখে শীতে কষ্ট পাওয়া মানুষরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে যান আবার কারো কারো চোখে চলে আসে সুখের কান্না।
এব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক শীতবস্ত্র বিতরণের জন্য যে শীতবস্ত্র দেওয়া হয়েছে আমি সেগুলোই দিতে এসেছি। আমি চাই না আমার জেলার দরিদ্র মানুষরা শীতে কষ্ট পান।
তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে সরকারিভাবে প্রাপ্ত শীতবস্ত্র সকল উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের কাছে প্রদান করা হয়েছে এবং তাঁরা তাদের নিজ নিজ উপজেলার শীতার্ত মানুষের মাঝে তা বিতরণ করছেন।
শীতবস্ত্র বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ হারুন অর রশীদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোখলেছুর রহমান, সহকারী কমিশনার জহিরুল আলম, এস.এম রেজাউল করিম, জনাব মোঃ রিফাতুল হক প্রমুখ।
এসময় গভীর রাতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদকে দেখে শীতে কষ্ট পাওয়া মানুষরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে যান আবার কারো কারো চোখে চলে আসে সুখের কান্না।
এব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক শীতবস্ত্র বিতরণের জন্য যে শীতবস্ত্র দেওয়া হয়েছে আমি সেগুলোই দিতে এসেছি। আমি চাই না আমার জেলার দরিদ্র মানুষরা শীতে কষ্ট পান।
তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে সরকারিভাবে প্রাপ্ত শীতবস্ত্র সকল উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের কাছে প্রদান করা হয়েছে এবং তাঁরা তাদের নিজ নিজ উপজেলার শীতার্ত মানুষের মাঝে তা বিতরণ করছেন।
শীতবস্ত্র বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ হারুন অর রশীদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোখলেছুর রহমান, সহকারী কমিশনার জহিরুল আলম, এস.এম রেজাউল করিম, জনাব মোঃ রিফাতুল হক প্রমুখ।









