১৩ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ২৯শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৩শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-




কলারোয়ায় মাদকের ভয়াল থাবা !

নয়া আলো অনলাইন ডেস্ক।

আপডেট টাইম : ডিসেম্বর ০৬ ২০১৯, ১৮:০৭ | 1297 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সীমান্ত অঞ্চল মাদকের রাজধানী । পাশে ভারত সীমান্ত হওয়ায় এ এলাকায় স্থানীয় কর্তাদের ম্যানেজ করে মাদক ব্যবসায়ীরা অবাদে চালিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় ফেন্সিডিল, ইয়াবা, মদ ও গাঁজাসহ নেশা জাতীয় দ্রব্যের রমরমা ব্যবসা। আর এর ভয়াল ছোবলে বিষাক্ত হয়ে উঠেছে গোটা এলাকাসহ পৌরসদর জুড়ে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলাকে মাদক নির্মূল করার জন্য বিশেষ অভিযান পরিচালিত করার জন্য নির্দেশ থাকলে ও এসব অঞ্চলে মাদকের ব্যবসা অজ্ঞাত কারণে বেড়েই চলেছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু দূর্ণীতি পরায়ণ কর্মকর্তা মাদক চোরাচালান, সিন্ডিকেট, ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের সাথে আঁতাত করে রাতের আঁধারে গুছিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। ফলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অপতৎপরতায় ঝিমিয়ে পড়ছে মাদক নির্মূলের বিশেষ অভিযান।
মাঝে মধ্যে দুই একটা অভিযানে চুনোপুটি ধরা পড়লেও মাদক সম্রাটরা বরাবরই থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাহিরে। মাদকের ভয়াল আগ্রাসী থাবার প্রভাব পড়ছে এলাকার যুব সমাজের উপর। যার প্রভাবে এলাকার যুুব সমাজের উপর পড়ছে মাদকের ভয়াল থাবা।

অনুুসন্ধানে জানা যায়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিজিবি ক্যাম্প, পুলিশ, ডিবি, সিআইডি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাথে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সম্রাটদের সাথে সাপ্তাহিক ও মাসিক চুক্তি থাকার কারণে ব্যবসা করতে সহজলভ্যতা হচ্ছে। আর এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে তারা লক্ষ লক্ষ টাকা। এজন্য মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সম্রাটরা তাদের মাদকের রমরমা ব্যবসা নির্ভয়ে চালিয়ে যাচ্ছে ।

মাসিক আইন শৃংখলা  মিটিংয়ে শার্শার কলারোয়ার নাম বারবার উঠে আসে। সেখানে উত্তরে ১২টি ইউনিয়নের জন প্রতিনিধিরা অভিযোগ করে বলেন, সীমান্তবর্তী কাশিপুর এখন মরণনেশা মাদকের জোঁয়ারে ভাসছে। রাতের আঁধারে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে মদ, গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা, বিষাক্ত ঔষধ, ড্রাগসহ আসে না এমন কোন মাদক নেই। এতে করে ফাঁয়দা লুটছে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে সহযোগীতা করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু দূর্ণীতি পরায়ণ কর্মকর্তা।
মাদক ব্যবসায়ী চক্রটি সংঘবদ্ধ হয়ে নতুন ভাবে কৌশল পরিবর্তন করে মাদকের রমরমা ব্যবসা বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ায় সাধারণ জনগণ ও এখন আস্থা হারিয়ে ফেলছে বিজিবি, পুলিশ,  ডিবি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপর থেকে। সীমান্তবর্তী কাশিপুরের অদূরে রয়েছে একটি বিজিবি ক্যাম্প। মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে বিজিবি সদস্যদের রয়েছে গভীর সখ্যতা। আর এ কারনেই তাদের সহযোগিতায় মাদক ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করার সুযোগ পায়। আর এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে মাদক সম্রাট ও ব্যবসায়ীরা দেদারছে চালিয়ে যাচ্ছে এ ব্যবসা।

 

মাদক ব্যবসায়ীরা নিজে হাতে মাদক বিক্রয় করতে চায়না। প্রশাসনের ভয়ে নিজেদের গ্রেফতার এড়াতে তারা এমন কৌশল অবলম্বন করেন। পরিচিত লোক ছাড়া কোন প্রকার মাদক বিক্রয় করবেনা ব্যবসায়ীরা।

এ ব্যপারে এলাকাবাসীর সাথে কথা হলে তারা বলেন মাদকের আগ্রাসন থেকে এলাকার যুব সমাজকে বাঁচাতে ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সাহায্যের জন্য উর্দ্ধতন প্রশাসনের উপর মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিজিবি ব্যাটালিয়নের এক উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বলেন, সীমান্ত অঞ্চল হলেও এলাকার পরিস্থিতি নিরিবিলি ও পরিবেশ অনেকটা ভাল। আমাদের কোন সদস্য যদি মাদকের সাথে জড়িত থাকে প্রমান পাওয়া যায় তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সীমান্ত এলাকায় আমরা প্রতিনিয়তই অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধার করছি। মাদক নিয়ন্ত্রণে আমরা সর্বদা সজাগ রয়েছি।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি- আলহাজ্ব আবদুল গফুর ভূঁইয়া,সাবেক সংসদ সদস্য, প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET