ডুমুরিয়ায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ডুমুরিয়া থানাধীন গুটুদিয়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়েছে জানা গেছে।
ডুমুরিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায় ডুমুরিয়া থানার এসআই অনিমেষ বিশ্বাস সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ বুধবার রাতে গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, ডুমুরিয়া থানাধীন গুটুদিয়া গ্রামস্থ ফারুক গাজীর বসত ঘরের দক্ষিন পাশে কতিপয় ব্যক্তি গাঁজা বেচা-কেনা করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ১০টার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পালানোর চেষ্টা করলে ফারুক গাজী (৪৯) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। আটক ফারুক ওই গ্রামের জোনাব আলী গাজীর ছেলে বলে জানা যায়। এসময় তার দেহ তল্লাশি করে ২৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। সোমবার বিকেল ৫টার দিকে কোমলপুর গ্রামের মমিন মোড়লের ছেলে ইয়ামিন মোড়ল (১৭) একই গ্রামের রুবেল শেখের ৪বছরের শিশুপুত্র মোঃ মুসাকে একটি নদীর পাড়ে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে জোর পূর্বক ওই শিশুটিকে বলাৎকার করে ইয়ামিন।
এ ঘটনায় শিশুটি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্যে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এরপপর দুইদিন ধরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করে আসামীপক্ষ। কিন্তু সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে বুধবার বিকেলে শিশু মুসার পিতা রুবেল শেখ বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রেক্ষিতে থানার এসআই অসিম বুধবার সন্ধ্যার পরে কোমলপুরস্থ নিজ বাড়ি থেকে ইয়ামিন মোড়ল (১৭) কে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ইয়ামিন ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ভিকটিমের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এবং মামলার আসামী ইয়ামিন মোড়লকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এছাড়া অপর একটি মামলায় থানার আটলিয়া ইউনিয়নের কুলবাড়িয়া গ্রামের খায়রুল শেখের ছেলে আকরামুল ইসলাম (২১) কে বুধবার রাতে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
Please follow and like us:









