করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে লক ডাউন সহ বিভিন্ন কারণে অধিকাংশ শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। কর্মহীন, দারিদ্র জনগোষ্ঠী, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত সহ অসহায় কিংবা দুঃস্থদের জন্য সরকারি কর্তৃক করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকে দফায় দফায় সারা দেশে পাঠানো হচ্ছে চাল। গত ২৯ মার্চ থেকে ছাগলনাইয়া উপজেলার একটি পৌর এলাকা এবং পাঁচটি ইউপি এলাকার জন্য সরকারি চাল পাঠানো হয়েছে ৩’শ ৩৫ মেট্রিক টন। যা অল্প সময়ে ছাগলনাইয়া উপজেলার জন্য ইতিপূর্বের যে কোন দুর্যোগকালীন সময়ে সরকারি ভাবে পাঠানো সর্বোচ্চ পরিমান চাল। ছাগলনাইয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া তাহের’র সঠিক তদারকির মধ্যমে পৌর এলাকা এবং সকল ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় সুষ্ঠু বন্টন হয়েছে বলে জানান পৌর মেয়র ও ইউপি চেয়ারম্যান বৃন্দ। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ফরহাদ লতিফ জানান, গত ২৯ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত আমরা ৩৩৫ মেট্রিক টন সরকারি চাল পেয়েছি এবং উপজেলাব্যাপী মোট ২৭ হাজার ৫’শ পরিবারের মাঝে ২৭৬.৫ মেট্রিক টন চাল বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে। অবশিষ্ট চাল বিতরণ প্রক্রিকাধীন রয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ফরহাদ লতিফ জানান, চলমান করোনা পরিস্থিতিতে ছাগলনাইয়া পৌর এলাকায় ৪৮.৮ মেট্রিক টন, পাঠাননগর ইউনিয়নে ৫১ মেট্রিক টন, মহামায়া ইউনিয়নে ৪৩.৩ মেট্রিক টন, রাধানগর ইউনিয়নে ৪৩.৮ মেট্রিক টন, শুভপুর ইউনিয়নে ৪৫.৮ মেট্রিক টন এবং ঘোপাল ইউনিয়ন ৪৩.৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। সরকারি এ চাল বিতরণের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া তাহের জানান, সরকারি এ চাল সঠিক ব্যক্তিদের মাঝে সঠিকভাবে বন্টনের জন্য আমরা কঠোর নজরদারি রেখেছি। উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি), মেয়র, ইউপি চেয়ারম্যান, ট্যাগ অফির, ইউপি সদস্যদের উপস্থিতে আমরা এ চাল গুলো বন্টন করেছি। অবশিষ্ট চালও আমরা সঠিক ভাবে বন্টনের চেষ্টা করছি।
সরকার কর্তৃক প্রেরিত এ চাল ছাড়াও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া তাহের’র ব্যক্তি ব্যবস্থাপনায় উপজেলার মোট ৭ হাজার ৫’শ দুঃস্থ পরিবারের মাঝে করোনা পরিস্থিতিতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এদের মাঝে রয়েছে প্রতিবন্ধ, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি যারা হোম কোয়ারান্টাইনে রয়েছে, কর্মহীন এবং দারিদ্র্য পরিবারের সদস্যবৃন্দ।









