২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • নাগরিক দূর্ভোগ
  • ডুমুরিয়া বাজারে গার্ডার ব্রীজ নির্মাণে অনিয়ম ,ছয় মাসের কাজ এক বছরেও শেষ হয়নি, দুর্ভোগে মানুষ




ডুমুরিয়া বাজারে গার্ডার ব্রীজ নির্মাণে অনিয়ম ,ছয় মাসের কাজ এক বছরেও শেষ হয়নি, দুর্ভোগে মানুষ

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, বিশেষ করেসপন্ডেন্ট,খুলনা।

আপডেট টাইম : এপ্রিল ০৩ ২০২৩, ০০:৪১ | 919 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

১৫ মিটার গার্ডার ব্রীজ নির্মাণে মেয়াদ ছিল ৬ মাস। কিন্তু বছর পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ডুমুরিয়া বাজারের দক্ষিণে শালতা নদীর শাখা খালের উপর সাড়ে ৭৮লাখ টাকা ব্যয়ে ব্রীজটি নির্মাণ করছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস। অভিযোগ উঠেছে মাত্র ৩০ ভাগ কাজ করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বেশিরভাগ বিল তুলে নিয়েছে । অবশ্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস বিষয়টি অস্বীকার করে বলছে, কাজে ৪০ ভাগ অগ্রগতি হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোন বিলই পরিশোধ করা হয়নি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন জানা যায়, যোগাযোগ সহজ করতে ডুমুরিয়া বাজার হতে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স অভিমুখে শালতা নদীর শাখা খালের উপর ১৫ মিটার গার্ডার ব্রীজ এবং দুই পাশে ১৫ মিটার করে মোট ৩০মিটার ডাবল ইট বসাতে প্রকল্প গ্রহন করা হয়। ব্রীজটি নির্মাণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি হয় সাড়ে ৭৮ লাখ টাকা।  কাজ করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ওমর ফারুক। ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মেয়াদ ধরা ছিল ২০২২ সালের ১৪ আগষ্ট। অর্থ্যাৎ সময় ছিল মাত্র ৬ মাস। কিন্তু এক বছরেও সেই কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি।
সরেজমিন দেখা গেছে, বেইজ ঢালাইয়ের কিছু কাজ করা হয়েছে। অন্য কোন কাজই হয়নি।  দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় রোদ-বৃষ্টিতে ব্রীজে ব্যবহৃত রডে মরিচা এসেছে। কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে।
প্রদীপ নাথ ও গোবিন্দসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সামান্য কাজ করে ঠিকাদারের লোকজন চলে যায়। দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ। কিন্তু কাজ ফের শুরু হচ্ছে না। কাজ বন্ধ থাকায় নদী লাগোয়া দোকানঘর ভেঙে পড়ছে। এছাড়া ক্রেতারাও দোকানেও আসতে চাই না।  ফলে বেচা-বিক্রি একদম কমে গেছে। জনগণকেও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ঠিকাদার ওমর ফারুক বলেন,কাজ তো চলছে, ইতিমধ্যে অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাসেল আহমেদ বলেন, নির্মাণ সামগ্রী দাম চড়া সেকারণেই ঠিকাদার মূলত কাজ করেনি। এছাড়া জোয়ারের পানিও কিছুটা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে।
তিনি জানান, কাজে ৪০ ভাগ বাস্তবায়ন অগ্রগতি হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোন বিল পরিশোধ করা হয়নি। বরং নির্ধারিত সময়ে কাজ না করায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হচ্ছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ আসিফ রহমান বলেন, অর্থ সংকটে প্রকল্পটি সময় মতো বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। প্রকল্পটির টাকা বাড়ানো হবে। এরপর ঠিকাদার ঠিকমতো কাজ না করলে কার্যাদেশ বাতিল করা হবে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এখনও কোন বিল পরিশোধ করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।
Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি- আলহাজ্ব আবদুল গফুর ভূঁইয়া,সাবেক সংসদ সদস্য, প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET