প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিধিমালা অনুযায়ী অধিগ্রহনকৃত বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকুরীর শর্তাদি নির্ধারন) বিধিমালা, ৪৮,৭২০ জন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের উত্তোলিত টাইম স্কেল সংক্রান্ত জটিলতা , এসএমসি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের গেজেটে বাদ পড়া নিয়ে শিক্ষকদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
দাবীগুলো বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি দিনাজপুর জেলা শাখা ১৯ ফেব্রুয়ারী-২০২৩ রবিবার সকালে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মুখ সড়কে মানববন্ধন শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। ঘন্টাব্যাপী মানব বন্ধনে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ তাদের দাবীগুলো তুলে ধরেন। এসময় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি দিনাজপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোমিনুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকদের নায্য দাবী বাস্তবায়নে প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদয়দৃষ্টি কামনা করছি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকুরী শর্তাদি নির্ধারন) বিধিমালা অনুযায়ী চাকুরীকালের ভিত্তিতে জৈষ্ঠ্যতা নির্ধারন, পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড এবং প্রযোজ্য টাইমস্কেল প্রাপ্য হলেও আজও অবধি বাস্তবায়ন করা হয়নি। মৌখিক নির্দেশনা দিয়েও জাতীয়করণকৃত সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে চলতি দায়িত্ব প্রদান থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। যেখানে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩৬১৬৫ টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কর্মরত শিক্ষকদের চাকুরী জাতীয়করণ করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় জাতীর পিতার যোগ্য উত্তরসূরী গণতন্ত্রের মানসকন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারী শিক্ষক মহাসমাবেশের মাধ্যমে দেশের ২৬১৯৩ টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কর্মরত শিক্ষকদের চাকুরী জাতীয়করনসহ বেতন বৃদ্বি করেন। আমার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রতিবদ্ধ থেকে ৩ দফা শিক্ষার উন্নয়নের স্বার্থে জড়িত। জাতীর পিতার যোগ্য উত্তরসূরী গণতন্ত্রের মানস কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা বান্ধব সরকারের কর্ণধার হিসাবে অবহেলিত শিক্ষকদের দাবীগুলো বাস্তবায়নে এগিয়ে আসবেন বলে আমরা আশা রাখি। মানববন্ধন শেষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ মেহেদী হাসান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা শাখার আহবায়ক মোঃ মমিনুল ইসলাম, সদস্য সচিব অধীন চন্দ্র সরকার, সদস্য রমজান আলী, মোঃ জামান, মোছাঃ মমতাজ বেগম, ভুপতি চন্দ্র রায়সহ ১৩ উপজেলা থেকে আগত অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ। ৩ দফা দাবী সমূহ হলো: ১। “অধিগ্রহনকৃত বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকুরীর শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৩ অধীন বিধি ২ (গ), বিধি ৯ উপবিধি (১), (২), (৩) অনুযায়ী ৫০% কার্যকর চাকুরী কালের ভিত্তিতে জৈষ্ঠ্যতা, পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড এবং প্রযোজ্য টাইম স্কেল প্রদান। ২। ৪৮,৭২০ জন প্রধান শিক্ষক ও সরকারি শিক্ষকদের উত্তোলিত টাইম স্কেল সংক্রান্ত জটিলতা স্থায়ী সমাধান দরকার। পাশাপাশি ১২ আগষ্ট ২০২০ইং তারিখে অর্থমন্ত্রনালয় কর্তৃক জারিকৃত পত্রটি বাতিল ও প্রশাসনির ট্রাইবুনালের রায় বাস্তবায়ন করা। ৩। অধিগ্রহনকৃত বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে গেজেটে বাদ পড়া প্রধান শিক্ষকদের গেজেটভুক্ত করা।









