শেখ রায়হান হোসেন, পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ- পাটকেলঘাটায় সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইঞ্জিনিয়ার বাবলুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার সিদ্দিক সাহেব অত্র অফিসের পশ্চিম পার্শ্ব দিয়ে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক সংলগ্ন গ্রামবাসীর ছোট্ট চলাচলের রাস্তায় বিদ্যুতের খুটি বসানোর সময় স্থানীয় এলাকাবাসী বাধা প্রদান করে। সোমবার সকাল ৯ টার সময় অত্র অফিসের ঠিকাদার সলেমান সাহেব ও তার লোকজন ঐ ইঞ্জিনিয়ারদের আদেশ মোতাবেক খুটি বসানোর কাজ করছিলেন।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পল্লী বিদ্যুতের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ওই রাস্তায় কোন প্রকার এলাকাবাসীর সাথে পরামর্শ ছাড়ায় একদল ঠিকাদার বাহিনী বিদ্যুতের খুঁটি বসানোর জন্য রাস্তা খোঁচা-খুচি করছিল। এ সময় এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে তা বন্ধ করে দিলে অত্র অফিসের ডিজিএম সাহেব উক্ত স্থানে উপস্থিত হয়। পরে গ্রাম বাসীর বাধার সম্মুখীন হয়ে এক পর্যায়ে তারা কাজ বন্ধ করে দিয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। যাওয়ার সময় তারা গ্রামবাসীকে উক্ত রাস্তায় খুটি বসাবেনা বলে আশ্বস্ত করে যান।
এই বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা স্বাস্থ্যকর্মী আল-আমিন ইসলাম বলেন, আমাদের এই রাস্তাটি খুব ছোট এমনিতেই একটা ভ্যান ঢুকলেই আর জায়গা থাকে না, তার উপর এখন যদি এই বিদ্যুতের খুটি বসানো হয় তাহলে আর চলাচল করতে হবে না। এমনিতেই এই রাস্তাটি বিদ্যুৎ অফিসের গাঁ ঘেষে হওয়ায় সমস্ত রাস্তা জুড়েই বিদ্যুতের তার ও খুঁটি। পূর্বে জনবসতি কম থাকায় খুটি গুলো বসানোই কেউ বাধা প্রদান করেনি যার ফলে আজ আমাদের এত সমস্যা।
চলাচলের রাস্তায় খুঁটি বসানোর বিষয়ে ঠিকাদার ও ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে কথা বলা সম্ভব না হলেও ঐ ঠিকাদারের আওতায় কর্মরত ফোরম্যান দেবব্রত নামের একজনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা ঐ রাস্তায় খুঁটি বসানোর সময় গ্রামবাসী বাধা প্রদান করলে আমরা সেখানে খুঁটি বসানো বন্ধ করেছি। পরে বসাবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা ওই রাস্তা দিয়ে এই লাইনটা টানব না অন্য পাশ দিয়ে লাইন টানব গ্রামবাসী নির্দেশ না দিলে অন্য দিক দিয়ে খুঁটি বসিয়ে লাইন টানা হবে।
এ ব্যাপারে ঐ এলাকার প্রায় ১০০ জন গ্রামবাসী পল্লী বিদ্যুতের ওই কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, পল্লী বিদ্যুতের লোক বলে উনারা নিজেদের ইচ্ছামত আমাদের ঘরের মধ্যে আমাদের চলার রাস্তায় আমাদের বাসস্থানের পাশে এভাবে যখন তখন এসে কারও পরমর্শ ছাড়াই খুঁটি পুতে রেখে যাবে এর কি কোন বিচার নেই ? আমরা দরকার হলে আদালতে যাব তবুও এভাবে আর গায়ের জোরে কাজ করতে দিবনা।









