রাজশাহীর চরখিদিরপুর পদ্মা নদীতে বৌভাতের অনুষ্ঠান শেষে বর-কনে বাহী দুটি নৌকা ডুবির ঘটনায় আরো দুই জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নববধূর খালা আখি বেগম ও ফুপাতো বোন রুবাইয়া আক্তার স্বর্ণার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল নারী-শিশুসহ ৮ জনের। গতকাল রোববার দুপুর ১টার দিকে ঘটনাস্থলের অদুরে জেলের জালে আটকা পড়ে নিখোঁজ রুবাইয়া খাতুন স্বর্ণার লাশ। স্বর্ণা অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ছিলেন। বর্ণার বাবার নাম রবিউল ইসলাম রবি। তাদের বাড়ি পবায় উপজেলার আলীগঞ্জ মোল্লাপাড়া গ্রামেতে। এবং রোববার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে রাজশাহীর টাঙ্গন মধ্যপাড়া সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় নববধূ সুইটি খাতুন পুর্ণির খালা আখি বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। তারও বাড়ি পবায় উপজেলার আলীগঞ্জ মোল্লাপাড়া গ্রামে। এবিষয়ে দমকল বাহিনীর রাজশাহীর সিনিয়র স্টেশন অফিসার আব্দুর রউফ বলেন, এখনো কনে সুইটি খাতুন পুর্ণি নিখোঁজ রয়েছেন। নৌ-পুলিশের রাজশাহী থানার ওসি মেহেদী মাসুদ জানান, শনিবার ছয়জনের লাশ পরিবারের কাছে হ্স্তান্তর করা হয়। রাতে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাশ দাফনের জন্য নিহতদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার চরখিদিরপুর বৌভাতের অনুষ্ঠান শেষে পদ্মা নদী দিয়ে ডাঙ্গারহাট ফেরার পথে দুটি নৌকা ডুবে যায়। এতে প্রথমে ৪০ জন নিখোঁজ হলেও পরে বর সহ অনেকের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর একে একে ৮ টি লাশ উদ্ধার করা হয় পদ্মা নদী থেকে। এখন শুধু নববধূ নিখোঁজ রয়েছে।#









