কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গাড়িতে পাওয়া স্মার্টফোন প্রকৃত মালিককে ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ শাহাদাত হাসান শরীফ। সোমবার স্মার্টফোন ফেয়ার দেয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন কনকাপৈত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম।
জানা গেছে, শাহাদাত হাসান শরীফ রোববার সকালে অটোরিকশা নিয়ে মরকটা রাস্তার মাথা থেকে কনকাপৈত বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা করে। পথিমধ্যে কয়েকজন যাত্রী তাঁর অটোরিকশায় উঠে। তারাশাইল বাজারে এক যাত্রী নেমে যাওয়ার পর অটোরিকশায় থাকা অন্য এক যাত্রী সিটে একটি স্মার্টফোন দেখতে পান। শাহাদাত ধারণা করেন, স্মার্টফোনটি গাড়ি থেকে নেমে যাওয়া ওই যাত্রীর। গাড়িতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে শুরু হয় আলোচনা। সবাই সিদ্ধান্ত নেয়, স্মার্টফোনটি কনকাপৈত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জমা দেওয়া হবে। পরবর্তীতে যথাযথ প্রমাণের ভিত্তিতে প্রকৃত মালিককে স্মার্টফোনটি ফিরিয়ে দেয়া যাবে। স্মার্টফোনটি পুলিশের কাছে জমা দেয়ার কিছুক্ষণ পর কল আসে। কল রিসিভ করে পুলিশ পরিচয় জানতে চাইলে অপরপ্রান্তে থাকা ইব্রাহিম খলিল কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানায় স্মার্টফোনটি তার। তিনি প্রবাসী এবং তারাশাইল বাজারে অটোরিকশা থেকে নামার সময় ভুলে সেটি রেখে নেমে যান। এরপর কনকাপৈত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই শাহজালাল তাকে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানান। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে কনকাপৈত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম স্মার্টফোনটি প্রকৃত মালিক ইব্রাহিম খলিলের হাতে ফিরিয়ে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এএসআই শাহজালাল, এএসআই মোজাম্মেল ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। স্মার্টফোন ফেরত দেয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাধ্যমে নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন অটোরিকশা চালক শাহাদাত হোসেন।
স্মার্টফোনটি ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘অটোরিকশা থেকে নেমে ভাড়া দেওয়ার সময় স্মার্টফোনটি ভুলে রেখে যাই। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর ফোন দিলে জানতে পারি মোবাইলটি পুলিশ ফাঁড়িতে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রথমে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি, তারপর চালক শাহাদাতসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই’।
অটোরিকশা চালক দৌলতপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেন শরীফ বলেন, ‘স্মার্টফোনটি আমার নয়, এটা অন্যের হক। এটি নিজের কাছে রাখলে পরকালে জবাবদিহি করতে হবে। বিবেকের তাড়নায় স্মার্টফোনটি ফেরত দিয়েছি’।
স্মার্টফোন হস্তান্তরকালে উপস্থিত চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম এ আলম বলেন, ‘দরিদ্র মানুষগুলো এখনও সৎভাবে জীবনযাপন করে, শাহাদাতই এর প্রমাণ। দেশের বড় বড় পদে থাকা অনেক কর্মকর্তারও তার কাছ থেকে শেখার আছে। সমাজে শাহাদাতের মতো মানুষ থাকলে সমাজ আরও সুন্দর হবে’।
কনকাপৈত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘অটোরিকশা চালক শাহাদাত হোসেন সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সমাজে নতুন করে আশার আলো জ¦ালিয়েছে। গাড়িতে পাওয়া একটি স্মার্টফোন মালিকের কাছে ফেরত দিয়ে তিনি প্রমাণ করলেন, মানুষ দরিদ্র হতে পারে, কিন্তু সততা কখনো দরিদ্র হয় না।
জানা গেছে, শাহাদাত হাসান শরীফ রোববার সকালে অটোরিকশা নিয়ে মরকটা রাস্তার মাথা থেকে কনকাপৈত বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা করে। পথিমধ্যে কয়েকজন যাত্রী তাঁর অটোরিকশায় উঠে। তারাশাইল বাজারে এক যাত্রী নেমে যাওয়ার পর অটোরিকশায় থাকা অন্য এক যাত্রী সিটে একটি স্মার্টফোন দেখতে পান। শাহাদাত ধারণা করেন, স্মার্টফোনটি গাড়ি থেকে নেমে যাওয়া ওই যাত্রীর। গাড়িতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে শুরু হয় আলোচনা। সবাই সিদ্ধান্ত নেয়, স্মার্টফোনটি কনকাপৈত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জমা দেওয়া হবে। পরবর্তীতে যথাযথ প্রমাণের ভিত্তিতে প্রকৃত মালিককে স্মার্টফোনটি ফিরিয়ে দেয়া যাবে। স্মার্টফোনটি পুলিশের কাছে জমা দেয়ার কিছুক্ষণ পর কল আসে। কল রিসিভ করে পুলিশ পরিচয় জানতে চাইলে অপরপ্রান্তে থাকা ইব্রাহিম খলিল কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানায় স্মার্টফোনটি তার। তিনি প্রবাসী এবং তারাশাইল বাজারে অটোরিকশা থেকে নামার সময় ভুলে সেটি রেখে নেমে যান। এরপর কনকাপৈত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই শাহজালাল তাকে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানান। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে কনকাপৈত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম স্মার্টফোনটি প্রকৃত মালিক ইব্রাহিম খলিলের হাতে ফিরিয়ে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এএসআই শাহজালাল, এএসআই মোজাম্মেল ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। স্মার্টফোন ফেরত দেয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাধ্যমে নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন অটোরিকশা চালক শাহাদাত হোসেন।
স্মার্টফোনটি ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘অটোরিকশা থেকে নেমে ভাড়া দেওয়ার সময় স্মার্টফোনটি ভুলে রেখে যাই। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর ফোন দিলে জানতে পারি মোবাইলটি পুলিশ ফাঁড়িতে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রথমে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি, তারপর চালক শাহাদাতসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই’।
অটোরিকশা চালক দৌলতপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেন শরীফ বলেন, ‘স্মার্টফোনটি আমার নয়, এটা অন্যের হক। এটি নিজের কাছে রাখলে পরকালে জবাবদিহি করতে হবে। বিবেকের তাড়নায় স্মার্টফোনটি ফেরত দিয়েছি’।
স্মার্টফোন হস্তান্তরকালে উপস্থিত চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম এ আলম বলেন, ‘দরিদ্র মানুষগুলো এখনও সৎভাবে জীবনযাপন করে, শাহাদাতই এর প্রমাণ। দেশের বড় বড় পদে থাকা অনেক কর্মকর্তারও তার কাছ থেকে শেখার আছে। সমাজে শাহাদাতের মতো মানুষ থাকলে সমাজ আরও সুন্দর হবে’।
কনকাপৈত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘অটোরিকশা চালক শাহাদাত হোসেন সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সমাজে নতুন করে আশার আলো জ¦ালিয়েছে। গাড়িতে পাওয়া একটি স্মার্টফোন মালিকের কাছে ফেরত দিয়ে তিনি প্রমাণ করলেন, মানুষ দরিদ্র হতে পারে, কিন্তু সততা কখনো দরিদ্র হয় না।
Please follow and like us:










