করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রবেশ ও বের হওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও প্রতিদিন ভিড় বাড়ছে খাগড়াছড়ির প্রবেশ দ্বারে মানিকছড়ি’র নয়াবাজার চেকপোস্টে।গত ৩ দিন ধরে স্থানীয় প্রশাসন এসব মানুষের প্রবেশ ঠেকাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।বৃহস্প্রতিবার(১৬এপ্রিল)কাউকেই প্রবেশ করতে দেয়নি পুলিশ ও সেনাবাহিনী।জমায়েত লোকজনকে যার যার কর্মস্থলে ফিরে যেতে মাইকিং করতে দেখা গেছে মানিকছড়ি ইউএনও তামান্না মাহমুদকে।
এদিকে চট্টগ্রামের গামের্ন্টগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হলেও অনেক গামের্ন্টস মালিক শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করেনি।অন্যদিকে ভাড়া ঘরের মালিকরা ঘরের চাবি রেখে শ্রমিকদের তাড়িয়ে দিচ্ছে।এমন সংকটে পড়ে জন্মভূমিতে ফিরতে চট্রগ্রাম থেকে পায়ে হেটে খাগড়াছড়ির প্রবেশদ্বার মানিকছড়ি’র নয়াবাজার চেকপোস্টে এসে ভীড় করছে শতশত মানুষ।
পুলিশ ও প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, দেশ করোনা’র প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার অফিস-আদালত,স্কুল-কলেজ,মাদরাসাসহ জনপদে লোকজন চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে গত ২৬ মার্চ থেকে।পরে সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে গামের্ন্টস শিল্পও বন্ধ রেখেছে মালিকরা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত চট্টগ্রামের (সকল) গামের্ন্টস মালিকরা শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেনি।অন্যদিকে ভাড়া বাসার মালিকরা শ্রমিকদেরকে ভাড়া পরিশোধ করতে বাধ্য করছে।আবার কেউ কেউ ঘরের চাবি রেখে তাড়িয়ে দিচ্ছে। আবার অনেকে বৈশাখের আনন্দ উপভোগ করতে বাড়িতে আসতে চট্টগ্রাম থেকে পায়ে হেঁটে খাগড়াছড়ি প্রবেশের দুঃস্বপ্ন নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল থেকে ভীড় জমাচ্ছে প্রবেশদ্বারে।ফলে মানিকছড়ি প্রশাসন পুলিশ সেনাবাহিনী দিয়েও এসব লোকজনের গণজোয়ার ঠেকাতে গত দু’ দিন ব্যর্থ হলেও বৃহস্প্রতিবার ১৬ এপ্রিল জেলা প্রশাসকের কঠোর নির্দেশে সকাল থেকে কঠোর অবস্থানে মানিকছড়ি প্রশাসন। আজও শত শত মানুষ জেলায় প্রবেশ করতে ভীড় জমালেও কাউকেই জেলায় প্রবেশ করতে না দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে।এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত প্রবেশদ্বারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তামান্না মাহমুদ,সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম,অফিসার ইনচার্জ আমির হোসেন ও সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।









