সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মছলম উদ্দিন একাডেমির প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলাম (৫৩)কে গ্রেপ্তার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। সোমবার বিকালে মছলম উদ্দিন একাডেমির থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত এনামুল ইসলাম কানাইঘাট উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের ইসলাম আলীর ছেলে। গ্রেপ্তারের পূর্বে স্থানীয় কিছু লোক ওই শিক্ষককে নিজের অফিস কক্ষে মারধর করেন। এ ঘটনার একটি ভিডিওচিত্র ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ছবেদ আলী বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে মছলম উদ্দিন একাডেমির প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলামকে স্থানীয়রা আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। মঙ্গলবার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ওই ছাত্রকে গত ৭ অক্টোবর স্কুলের প্রধান শিক্ষক রুমে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় ক্ষুদ্ধ জনতা ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক এনামুল হককে লাঞ্ছিত করেন এবং স্কুলের অফিস কক্ষে আটকে রাখেন।
মামলার বাদী শিশুটির বাবা সাংবাদিকদের বলেন, “আমার ছেলেকে দীর্ঘ চার মাস ধরে ধর্ষণ করে আসছেন শিক্ষক এনামুল হক। ‘আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের পাশাপাশি আমার ছেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।’
ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল করিম কাশেমী বলেন, আমি এর তীব্র নিন্দা এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তির বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই।
ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বলেন, স্থানীয় জনতার রোষানল থেকে প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।









