চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ মকিমাবাদে সাদিয়া ইসলাম সুপ্তি (২২) নামের এক গৃহবধূর গলায় ফাঁস দিয়ে রহস্যজনক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ১৩ এপ্রিল সোমবার বিকেলে হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের মুকিমাবাদ এলাকায় স্বামীর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। তবে এই ঘটনা আত্মহত্যা না কি হত্যা, তা নিয়ে উভয় পরিবার থেকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাদিয়া ইসলাম সুপ্তি চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার পৌর ১নং ওয়ার্ডের বাইশপুর গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের কন্যা। তার স্বামীর নাম তোফায়েল হোসেন। তাদের তাসকিয়া নামের দেড় বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছেছে। খবর পেয়ে সোমবার বিকেলে হাজিগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে চাঁদপুন মর্গে প্রেরন করা হয়। নিহতের বড় ভাই রাসেল হোসেন জানায়, গত তিন বছর পূর্বে হাজিগঞ্জ এলাকার আনোয়ার হোসেনের পুত্র তোফায়েল হোসেন এর সাথে তার ছোটবোন সাদিয়া ইসলাম সুপ্তির পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। বিয়ের প্রথম দুই বছর ভালো কাটলো এরপর থেকেই তোফায়েলের সাথে সাদিয়া পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। তোফাযয়েল পরকীয়া প্রেম করতো বলে প্রায় দুজনের মাঝে বাকবিতন্দা হতো। রাসেল আরো জানায়, ঘটনার দিন সোমবার বিকেল ৩টার দিকে সাদিয়ার শ্বশুরবারড়ির এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফোন করে জানায় যে, তার বোন গলায় ফাঁস দিযয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে আমরা সেখানে ছুটে যাই এবং লাশ নিচে নামানো অবস্থায় দেখতে পাই। এসময় সাদিয়ার শ্বশুরবাডরির লোকেরা জানায় যে, সে ঘরের দরোজা বন্ধ করে ফ্যানের সাথে ওরনা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। কিন্তু এই ঘটনা তারা আমাদেরকে ফোন করে জানায়নি কিংবা লাশ নামানোর সময় আমাদেরকে দেখা যায়নি। যার কারণে আমাদের সন্দেহ হচ্ছে যে সাদিয়ার শ্বশুরবারির লোকেরাই তাকে হত্যা করে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে। এদিকে এ বিষয়ে সাদিয়া ইসলামের শ্বশুর বারির লোকের সাথে কথা হলে তারা জানায়, বিয়ের পর থেকে এই দম্পতি বেশ সুখীভাবে জীবন-যাপন করে আসছিল। তাদের ঘরে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান রয়েছে। কিন্তু কী কারণে সে আত্মহত্যা করলটি আমরা জানি না। সাদিয়ার মৃত্যুতে আমরা নিজেরাই হতবাক হয়েছি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মঙ্গলবার দুপুরে ময়নাতদন্তের শেষে নিহতের পরিবারের কাছে লাশ দাফনের জন্যে দ্ওেয়া হয়।
Please follow and like us:









