গাজী আব্দুল কুদ্দুস,ডুমুরিয়া (খুলনা) \ খুলনার ডুমুরিয়ার
গোনালী গ্রামের স্কুল শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান বিশ্বাস খুলনা
সরকারি বিএল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বাংলায় স্নাতোকোত্তর পাশ
করে ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে
বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। কৃষি কাজে তার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা
ছিল না। গত দুই বছর করোনা শুরু হলে তার স্কুল বন্ধ হয়ে যায় এবং
লকডাউনে বাড়িতে বসে থাকতে তার খুব কষ্ট হয়।
নিরুপায় হয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে তিনি নেমে যান
কৃষি কাজে। প্রথম বছর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে তিনি
তার বসতবাড়ি সংলগ্ন ৩৬ শতাংশ জমিতে থাই এরিনা নামক বেগুনের
আবাদ করেন এবং প্রথম বছরেই বাজিমাত দেন। তিনি তার ৩৬ শতাংশ
জমিতে ২০২১সালে ৭৫ হাজার টাকা খরচ করে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার
বেগুন বিক্রি করেন। তিনি এবছর তার ঐ জমিতে থাই এরিনা জাতের
বেগুনের সাথে সাথী ফসল হিসেবে পুই শাক লাগান এবং ইতিমধ্যে
পুইশাক বিক্রি শেষ করেছেন। বর্তমানে তার জমিতে শোভা পাচ্ছে
রকমারি সাজের বিভিন্ন সাইজের বেগুন। দেখলে প্রাণ জুড়িয়ে যায়,
সাথে আছে বল্টু জাতের মরিচ। তার বেগুন বিক্রি শুরু হয়ে হয়ে গেছে
এবং তিনি ১লক্ষ ৫০হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করেছেন। তিনি আশা
করছেন এ বছর আরও ২লক্ষ টাকার বেগুন বিক্রি করতে পারবেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন,
মিজানুর রহমানের ভালো জাতের বেগুন চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। এ বেগুন
খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু হওয়ায় উপজেলা জুড়ে এর চাহিদাও বেশ। কম
জমিতে অধিক ফলনে লাভবান হচ্ছেন তিনি।









