নিজস্ব প্রতিবেদক :
৬ষ্ঠ শ্রেনী পড়ুয়া ছোট বোনকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বখাটেদের নির্মমতার শিকার হয়ে বড় ভাই হাসপাতালে কাতরাচ্ছে। দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের সিলোনীয়া বাজারে শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা ঘটনার সময় তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, শনিবার সকালে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে সিলোনীয়া হাই স্কুলের ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে রেদোয়ান। বিষয়টি নজরে পড়লে তার জেঠাত ভাই মোমিন প্রতিবাদ করে। এর জের ধরে সন্ধ্যায় মোমিন বাজারে আসলে হিরাপুর সড়কে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা রেদোয়ান ও তার সহযোগিরা অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় তারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা আশংকাজনক দেখে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে। এদিকে রেদোয়ান, বাবু ও মেহেদী হাসান মামুনকে ধাওয়া করে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে পুলিশ যাচাই-বাছাই করে বাবু ও মেহেদীকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় আহত মোমিনের পিতা আবদুল খালেক বাদী হয়ে রেদোয়ান ও তার তিন সহযোগির নাম উল্লেখ করে দাগনভূঞা থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতার রেদোয়ান আলামপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল আফছারের ছেলে।
দাগনভূঞা থানার ওসি মো: আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফেনীর সময় কে জানান, অপরাপর আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
৬ষ্ঠ শ্রেনী পড়ুয়া ছোট বোনকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বখাটেদের নির্মমতার শিকার হয়ে বড় ভাই হাসপাতালে কাতরাচ্ছে। দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের সিলোনীয়া বাজারে শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা ঘটনার সময় তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, শনিবার সকালে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে সিলোনীয়া হাই স্কুলের ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে রেদোয়ান। বিষয়টি নজরে পড়লে তার জেঠাত ভাই মোমিন প্রতিবাদ করে। এর জের ধরে সন্ধ্যায় মোমিন বাজারে আসলে হিরাপুর সড়কে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা রেদোয়ান ও তার সহযোগিরা অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় তারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা আশংকাজনক দেখে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে। এদিকে রেদোয়ান, বাবু ও মেহেদী হাসান মামুনকে ধাওয়া করে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে পুলিশ যাচাই-বাছাই করে বাবু ও মেহেদীকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় আহত মোমিনের পিতা আবদুল খালেক বাদী হয়ে রেদোয়ান ও তার তিন সহযোগির নাম উল্লেখ করে দাগনভূঞা থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতার রেদোয়ান আলামপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল আফছারের ছেলে।
দাগনভূঞা থানার ওসি মো: আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফেনীর সময় কে জানান, অপরাপর আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Please follow and like us:









