বগুড়ার ধুনটে বাবার লাশ বাড়ীতে রেখে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরিক্ষা অংশ গ্রহন করলো পপি খাতুন। সোমবার সকালে উপজেলার ভান্ডারবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র সহপাঠিদের সাথে বাংলা বিষয়ে পরিক্ষা দেন এ ক্ষুদে শিক্ষার্থী।
সোমবার সকাল ৯টার সময় পপির বাবা নির্মাণ শ্রমিক শহিদুল ইসলাম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পপি খাতুন উপজেলার চুনিয়াপড়া গ্রামের নির্মান শ্রমিক শহিদুল ইসলাম ও ঝলমলি বেগমের মেয়ে। সকালে বাবার মৃত্যুতে ভেঙ্গে পড়ে পপি খাতুন। কিন্তু বাবার স্বপ্ন পুরন করতে বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরিক্ষা দিতে আসেন পপি। এক হাতে খাতায় প্রশ্নের উত্তর লেখে আর অন্য হাতে চোখের পানি মুছে পরিক্ষা দিয়েছে পপি খাতুন। সে আটাচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে চলতি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরিক্ষায় অংশ নেয়।
পপির বাবার মৃত্যুর সংবাদ কেন্দ্রে ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিক্ষা শেষে সহপাঠিরা, শিক্ষক সবাই এসে পপিকে শান্তনা দিতে থাকে।
শোক সংবাদ শুনে পরিক্ষা কেন্দ্র ছুটে আসেন ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপল। তিনি শোকাহত পপির পাশে দাড়িয়ে পপিকে শান্তনা দেন। এসময় পপি কান্নায় হল রুমে অনেকেই চোখে পানি আসে। তিনি জানান, পপির পরিক্ষা ভালো ভাবে দেওয়া ও কেন্দ্রে আসা যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।









