এই সময় সারাদেশের মত আমাদের গ্রামে ও লকডাউন থাকার কথা। সকলেরই ঘরে থাকার কথা। আছে ও কেউ কেউ। নেই শুধু উত্তর পাড়া আর দক্ষিণ পাড়ার মানুষ। ওরা এখনো প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য ব্যাস্ত। ব্যাস্ত প্রতিশোধের নেশায়। কারো কথাই ওরা শোনে না। এই যে উত্তর পাড়ার লিটনকে এক ঘন্টা ধরে আমরা বোঝানোর চেষ্টা করলাম।
এক ঘন্টা পর ওর শেষ কথা ছিল, আপনারা যা-ই বলেন দক্ষিণ পাড়ার কাউকে আমি ছাড়বো না। যাকে সামনে পাবো তারই হাত-পা কেটে ফেলবো।
হলোও তাই। তবে হাত-পা নয় একেবারে গলা। দেহের থেকে মাথা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে দক্ষিণ পাড়ার রাকিবের। পুলিশ এসে লাশ নিয়ে গেল ময়নাতদন্তের জন্য। রিপোর্টে আসলো ভিক্টিমের শরীরে করোনা ভাইরাস ও ছিলো।
এবার লিটনের স্বজনদের আহাজারিতে ঢেকে গেল রাকিবের স্বজনদের শোক। না লিটনকে পুলিশে খুঁজে পাইনি। তবে অন্য কিছুতে খুঁজে পেয়েছে। জ্বর, শ্বাসকষ্টে বারবার মূর্ছা যাচ্ছে সে। জীবন প্রদীপ দপদপ করছে তার। হয়তো এক্ষুনি নিভে যাবে, চারদিকে আধার নেমে আসবে নতুন এক ভোরের জন্য।







