বামনা বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনার বামনা উপজেলা বিএনপির সকল ইউনিয়ন কমিটি নিয়ে সাধারন কর্মীদের মাঝে হতাশা ও ক্ষোভ রয়েছে। তাদের বক্তব্য হচ্ছে দেশে এখন ক্লান্তি কাল চলছে সকল নেতা কর্মীরা জেল হাজতে রয়েছেন এবং অনেক নেতাকর্মীর নামে একাধিক মিথ্যা মামলা রয়েছে এমনকি বিএনপির চেয়য়ারপার্সন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াও এই মুহুর্তে মিথ্যা মামলায় এই ফ্যাসিবাদী সরকার জেলে আটকিয়ে রেখেছেন। অথচ কেন্দ্র ঘোষিত কোন কর্মসুচীতে ইউনিয়ন বিএনরি সিনিয়র নেতৃবৃন্দ পালন করেনা। তারি মধ্যে হঠাৎ তরিঘরি করে উপজেলার পুরাতন কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি করায় মাঠ পর্যায়ের বিএনপির কর্মীরা দিশেহারা। এই কমিটিতে যাদের স্থান রয়েছে তারা সদ্য আওয়ামীলীগ থেকে আসা ও এলাকার বাইরে থাকেন বলে তাদের অভিযোগ রয়েছে।
১নং বুকাবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোঃ মনিরুল হক সোয়েব তিনি সব সময় বরিশালে অবস্থান করেন ২০১৮সালে তাকে কোনকর্মসুচীতে অংশ নিতে দেখা যায়নি। সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মানিক মোল্লা তাকেও কোন কর্মসুচীতে দেখা যায়না।
২নং বামনা সদর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোঃ কামাল তালুকদার তিনি সদ্য আওয়ামীলীগ থেকে আসা তার কোন অবস্থান মাঠ পর্যায়ে চোখে পরেনি। তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে বিএনপিতে যোগদান করেননি এমনকি তিনি কোন ওয়ার্ডের সদস্য হয়নি সরাসরি সদর বিএনপির আহবায়ক নির্বাচিত হন। সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ হুমাউন কবির তিনি উপজেলা সেচ্ছা সেবক দলের আহবায়ক কর্মসুচী হলে তাকে দেখাযায়।
৩নং রামনা ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোঃ সাহাব উদ্দীন বাচ্চু মোল্লা তিনি সব কর্মসুচীতে অংশ গ্রহন করেন কিšুÍ সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন তিনি চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়া মিথ্যা মামলায় জেলে যাওয়ার পর থেকে অদ্য পর্যন্ত কোন কর্ম সুচিতে অংশ গ্রহন করেন নাই এবং তিনি সবসময় ঢাকায় অবস্থান করেন।
৪নং ডৌয়াতলা ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোঃ মামুন খান তিনি ২০১৭ সালে রমজান মাসে ইফতার পার্টি করে ঢাকায় চলে গেছেন অদ্য পর্যন্ত বামনায় তাকে দেখা যায়নি এর মধ্যে দেশ নেত্রী বেগম খালেদাজিয়ার মুক্তি দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত কোন কর্মশুচীতে তিনি অংশ গ্রহন করেনি তিনিও ঢাকায় অবস্থান করেন তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি সিকার করে বলেন আমি আমার ব্যবসা নিয়ে ব্যাস্ততার কারনে এলাকায় সময় দিতে পারিনা। সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আবু সালেহ তিনি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক তার ব্যবসা নিয়ে ব্যাস্ত ঢাকা থেকে সিনিয়র নেতারা যখন এলাকায় আসে তখন তাকে দেখাযায়।
এব্যাপারে বিএনপির তৃনমুল নেতা কর্মীরা জানান দলের এই ক্লান্তী কালে বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের অনুপস্থিতি আগামী সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যপক প্রভাব পরবে বলে আসংকা করছে।









