, , ,

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • দেশজুড়ে
  • ভারতীয় খাদ্য দ্রব আমদানি বন্ধে সংকট বাজারে কোটা বাস্তবায়নের দাবি ব্যবসায়ীদের




ভারতীয় খাদ্য দ্রব আমদানি বন্ধে সংকট বাজারে কোটা বাস্তবায়নের দাবি ব্যবসায়ীদের

সোহাগ হোসেন, বেনাপোল,যশোর করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : অক্টোবর ০৬ ২০২৩, ২১:৩৯ | 825 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

দেশে যখন নিত্যপণ্যের সংকট দেখা দেয় ঠিক তখনই ভারত থেকেও আসে পণ্য রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা। এতে নিত্য পণ্য আমদানি বানিজ্যে দ্রুত কোটাচুক্তি বাস্তবায়ন চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। গত এক বছর ধরে চুক্তি বাস্তবায়নের ধরীরগতিতে পণ্য আমদানিতে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছে। এতে গত ৬ মাস ধরে চাল,গম,চিনি আমদানি বন্ধ হয়ে পড়েছে। যে কোন সময় বন্ধ হতে পারে চিনি। এদিকে আমদানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ কমে দেশের খোলা বাজারে পণ্যের দাম এখন আকাশ ছোঁয়া। অস্থিরতা বাজারে। তবে ভারতের সঙ্গে কোটাচুক্তিতে খাদ্যদ্রব্য আমদানি ও নতুন করে রুপিতে পণ্যের ঋণপত্র বাস্তবায়ন হলে এ সংকট কাটবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ব্যবসায়ীরা জানান, চাল রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় ভারতের স্থানীয় বাজারে লাফিয়ে বেড়েছে দাম। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে বাসমতী বাদে সব চাল রপ্তানির সিদ্ধান্ত করেছে নয়াদিল্লি। ২০ জুলাই ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক পত্রে এ কথা জানানো হয়েছে।

সামনের দিনে বাংলাদেশে চালের দামে এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন অনেকে। জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৬ লাখ ১৯ হাজার ১৯৩ টন বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য আমদানি হয়েছে। আমদানি করা পণ্যের মধ্যে ছিল চাল, ডাল, চিনি, গম, ভুট্টা, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ ও মাছসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য। তবে আরও বেশি চাহিদা থাকলেও নানা সংকটে ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞায় ও দাম বৃদ্ধিতে দেশের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশে যে পরিমাণ খাদ্যদ্রবের চাহিদা আছে, তার বিপরীতে উৎপাদন কম হওয়ায় বছরের প্রায় অধিকাংশ সময় আমদানি করে প্রয়োজন মেটাতে হয়। আর এ আমদানির বড় একটি অংশ আসে ভারত থেকে। গেল ২০২২-২৩ অর্থবছর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রায় ২৫ লাখ টন পণ্যের আমদানি-রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে ৬ লাখ ১৯ হাজার ১৯৩ টন ছিল খাদ্যদ্রব্য। তবে দেশে যখন নিত্যপণ্যের সংকট দেখা যায় ঠিক তখনই ভারত থেকেও আসে রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা। এতে আমদানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ কমে খোলা বাজারে দাম বাড়ে আকাশছোঁয়া।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকার ভারতের সঙ্গে নিত্যপণ্যের কোটা চুক্তি করে। এ চুক্তিতে গম ৪৫ লাখ টন, চাল ২০ লাখ টন, পেঁয়াজ ৭ লাখ টন, চিনি ১৫ লাখ টন, আদা দেড় লাখ টন, ডাল ৩০ হাজার ও রসুনের ১০ হাজার টন কোটা রাখার অনুরোধ করা হয় ভারতের কাছে। এটি বাস্তবায়ন হলে যখন-তখন রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আসবে না। এ ছাড়া ডলার সংকট মেটাতে রুপিতে পণ্যের ঋণপত্র খোলা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক বলেন, নয়াদিল্লিতে গত বছরের ২২-২৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে কোটা চুক্তিতে পণ্য আমদানির দাবি তোলা হয়। তবে বেশ আগে থেকেই পার্শ্ববর্তী দেশ ভুটান ও মালদ্বীপকে খাদ্যদ্রব্য রপ্তানিতে কোটা-সুবিধা দিয়ে আসছে ভারত।তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভালো থাকায় বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও গেলো বছর প্রচুর পরিমাণে খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য আমদানি হয়েছে। তবে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞায় খাদ্যদ্রব্যের আমদানি কিছুটা কমে। আমদানি স্বাভাবিক থাকলে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম সহজে বাড়বে না। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, ভারত থেকে খাদ্য পণ্য রপ্তানি শুরু হওয়ার কয়েকদিন পর হঠাৎ নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এতে দেশের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। কোটা চুক্তি বাস্তবায়ন হলে খাদ্য আমদানিতে ঘাটতি কমবে। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামছুর রহমান বলেন, বড় অংকের বাণিজ্য হয় ভারতের সঙ্গে। এ ক্ষেত্রে আমাদের অধিকার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দ্রুত কোটাচুক্তি বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি। একইসঙ্গে খাদ্যদ্রব্য রপ্তানিতে হঠাৎ হঠাৎ নিষেধাজ্ঞা বন্ধ করতে হবে।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET