“ভালোবাসা চির অম্লান”
প্রণয় বিধাতার সৃষ্টি, মনুজকে দেয় তার মহৎ কাজের পূণ্য,
প্রণয় যদি ইহকালে হয় পুত পবিত্র, তবে নর হয় ধন্য।
পিরিত অতিশয় জ্বালাময়ী, কষ্ট সহিতে পারা সত্যিই অনন্য,
পিরিত সহ্য করিতে না পারিয়া, লক্ষ মনুষ্য হয়ে যায় জঘন্য।
প্রেম শান্তনার বাণী ঐশ্বরিক, অবশ্যই হতে হবে মা-বাবার,
প্রেম মাথার মণি একান্ত সম্পদ, যদি থাকে মাতার আবদার।
মায়া কি জিনিস সবাই জানে না, যদি বুঝে কেহ, হয় জমিদার,
মায়া সবখানে থাকে না দৃশ্যমান, শুধুই ব্যতিক্রম জমাদার।
মমতা চির সত্য আশীর্বাদ, যদি তা হয় শুধু মা-বাবার মায়া,
মমতা একাধারে চির অম্লান, অন্য দিকে সাত রাজার মুকুট।
আদর জানে অন্তর্যামী প্রমাণ পায় শুধু, মনে ভালবাসা জায়া,
আদর যে কত মধুময়! যন্ত্রণা ও কষ্টের বুকে শুধু কাইট।
সোহাগ থেকে সর্বদাই বঞ্চিত থাকে, নিরুপায় অনাহারী কায়া,
সোহাগ দিয়েই ভাঙ্গিতে হইবে, ঐসব ভয়ংকর ভন্ড কপট।
প্রীতি বিনা হতে পারে না সুখি, আমাদের সকলের প্রেয়সী জয়া,
প্রীতি ভক্তি পারে শুধু কঠোরকে নরম করা, যেনো গাঙের তট।
ভালবাসা চিরন্তন, পরেশের সৃষ্টি আমাদের অন্তরে দহন,
ভালবাসা শিখিতে হয়, জানিতে হয়, বোকাদের জন্যই মরণ।
অনুরাগ সৃষ্টিকর্তার নিয়ামত, ইনসান যদি হয় পবিত্র,
অনুরাগ প্রতারকের কারণে ধ্বংসাত্মক, হয় যদি যত্রতত্র।
তিন্নি ছিল মোর ভালোবাসা, নিয়তির জন্য হয়েছে অন্যের বউ,
তিন্নির মন না পাইয়া অন্তরে বহিতেছে, মরণ জ্বালার ঢেউ।
খোকন ছিল ভালো ছেলে মানুষের মাঝে, আমার নন্দ প্রিয় সখা,
খোকনেরই ছিল প্রকৃত ভালবাসা, তাইতো এই পবিত্র লেখা।
“চতুর্বিংশ পদি কবিতা”
লেখক:মো: আদিল মাহমুদ।







