হারুন-উর-রশীদ,ফুলবাড়ী(দিনাজপুর)থেকে;
দিনাজপুর ফুলবাড়ী উপজেলার দৌলতুপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামে পতিপক্ষরা বাড়ী থেকে বের হওয়ার রাস্তার জায়গা দখল করে নিয়েছে। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়েও ন্যায়বিচার পাচ্ছে না বলে জানান দৌলতপুর গ্রামের গ্রামবাসীর পক্ষে মোঃ জালাল উদ্দিন। দৌলতপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত জামান উদ্দিনের পুত্র মোঃ জালাল উদ্দিনের দিনাজপুর জেলা প্রশাসক বরাবর গত ২০নভেম্বরও ২০১৮ইং তারিখের অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,মোঃ জালাল উদ্দিন স্বাধিনতার পর গ্রাম থেকে লোক জন বের হয়ে চলাচলের জন্য একটি রাস্তা তৈরী করেন এবং ১৯৮০ সালে ওই গ্রামের তৎকালিন ইউপি সদস্য কাদের মেম্বার ওই রাস্তায় মাটিকেটে জনগনের চলাচলে জন্য তৈরী করে দেন। ওই রাস্তা দিয়ে কয়েকশ লোক চলাচল করে। গ্রামের ছাত্র/ছাত্রী স্কুলে যায় এবং মুসল্লিমসজিদে নামাজ পড়তে যায়। কিন্তু একই গ্রামের মৃত আজির উদ্দিনের পুত্র মোঃ আবুল খায়ের,মৃত আব্দুল গফুরের পুত্র মনসুর আলী মোঃ আফসারউদ্দিনের পুত্র মোঃ শাহিন দলবদ্ধ হয়ে স্থানীয় জনগনের চলাচলের রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়। এব্যাপারে জনসাধারণ দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ মন্ডলের নিকট বিচার দিলে তিনি ৫ ফুট রাস্তাটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য মৌখিক ভাবে বলেন। অবশেষে স্থানীয় জনগনের চলাচলের জন্য রাস্তাটি ছেড়ে না দেওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিনকে আইনের আশ্রয় নেয়ার জন্য পরামর্শ দেন। গত ৪ জুন ২০১৮ইং তারিখেজালাল উদ্দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দৌলতপুর ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার কথা বলেন। তিনি সরজমিনে তদন্ত শেষে একটি প্রতিবেদন দেন এছাড়াও উপ জেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরী সরজমিনে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। উল্লেখ্য যে, নালিশি দাগে ২টি সুদির্ঘকাল কাল হতে রাস্তা হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে। যেহেতু প্রতিপক্ষরা জনসাধারনের চলাচলের উপরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সুস্পষ্ট আইন লঙ্ঘন করেছে মর্মে ইউনিয়ান ভুমি কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম১৩/০৬/২০১৭ ইং তারিখের স্মারক নং ৩৬। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এ ব্যাপারেও ভুক্তভোগী গ্রামবাসীর পক্ষে মোঃ জালাল উদ্দিন প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার দাবি করেছেন।









