চাকরি জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষকদের একটি অংশের ভোগ করা টাইম স্কেলের সুবিধাদি ফেরতের যে নির্দেশনা অর্থ মন্ত্রণালয় জারি করেছে তা বাতিলের দাবি সিরাজগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেছেন প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোট সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় শহরের মুক্তির সোপানে প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোট সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা প্রচার সম্পাদক আবু জার এর সঞ্চলনায় উক্ত মানবন্ধনে সভাপত্বিত করেন মো: জুলফিকার হায়দার ফিরোজ। এসময় প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোট সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: ওমর আলী তালুকদার বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বিশাল প্রাথমিক শিক্ষক সমাবেশে দেশের ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কর্মরত ১ লাখ ৪ হাজার ৭৭২ জন শিক্ষকের চাকরী জাতীয়করণের ঘোষণা দেন। “উক্ত ঘোষণা বাস্তবায়নে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে পরিপত্র ও গেজেট প্রকাশ করা হয়। সেই পরিপত্র ও গেজেটের ভিত্তিতে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকগণ সরকারের সকল আর্থিক সুবিধাদি গ্রহণ করে আসছেন।

কিন্তু ২০১৭ সালের ৮ অক্টোবর এক পত্রের মাধ্যমে জেলা প্রাথিমিক শিক্ষা অফিসারদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ডেকে বিধি ৯ উপবিধি ১ এর ভূল ব্যখ্যা দিয়ে কার্যকর চাকরির পরিবর্তে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয়করণের দিন ধরে জ্যেষ্ঠতার তালিকা তৈরির মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়। “জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় যতগুলো আইন ও পরিপত্র জারি করেছে তার কোনোটাতেই ১ জানুয়ারি ২০১৩ সাল ধরে গণনা করার কথা বলা হয়নি। এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষক জাতীয়করণের পর থেকেই পৌনে আট বছর ধরে বেতন-ভাতা ও সকল সুবিধা গ্রহণ করে আসছেন। “এমন পরিস্থিতিতে গত ১২ অগাস্ট অর্থ মন্ত্রণালয় পৌনে আট বছর পর কর্মরত শিক্ষকদের ভোগ করা টাইম স্কেল ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করে। এর ফলে ৪৮ হাজার ৭২০ জন শিক্ষক চরম ক্ষতির সম্মূখীন হচ্ছেন। ফলে মানবন্ধনে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি পত্রটি বাতিলের দাবি জানান শিক্ষকরা। উক্ত মানববন্ধনে বক্তব রাখেন প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোট কাজিপুর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, রায়গঞ্জের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, বেলকুচির সভাপতি রহমত আলী প্রমুখ।









