দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে শ্রেনী পরির্বতন করে তিন ফসলি আবাদী জমির মাটি খনন ও ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে । এদিকে শ্রেণী পরিবর্তন করে জমির মাটি খনন না করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার নিষেধ করা হলেও তা মানছেন না কেউ।
বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের গড়পিংলাই বাগধারা মোড় এলাকার আবাদী জমিতে ভেকু লাগিয়ে মাটি খনন করে ইট ভাটায় বিক্রি করা হচ্ছে। ওই মাটি খননের কারনে একদিকে যেমন আইন অমান্য করে জমির শ্রেনী পরির্বতন করা হচ্ছে,অন্যদিকে জমির টপ সয়েলও নষ্ট হচ্ছে । এঘটনায় গড়পিংলাই গ্রামের মৃত আসাব উদ্দিন এর ছেলে নায়েব উদ্দিন বিষয়টি মৌখিক ভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে অভিযোগ জানিয়েছেন।
তিনি সহ স্থানীয় গ্রামবাসীরা বলেন,গড়পিংলাই গ্রামের ইনাজউদ্দিন এর ছেলে রস্তম আলী ভেকু দিয়ে তিন ফসলি জমির মাটি খনন করছে,ওই জমি খনন করতে গিয়ে জমির পাশে জোতের রাস্তাও কেটে ফেলছে সে। যা গ্রামবাসীদের দির্ঘদিনের যাতায়াতের জন্য ব্যবহার হয়ে আসছে। অভিযুক্ত রস্তম আলী বলেন,তিনি কোনো রাস্তার মাটি কাটেননি,কে বা কাহারা তার অনুপস্থিতিতে মাটি কেটেছেন,তবে আজকে কিছু মাটি তিনি কেটেছেন।
এদিকে অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাহী কর্মকর্তা’ও নির্দেশ মোতাবেক দৌলতপুর ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হাসান ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য ঘটনা স্থলে গিয়ে বাঁধা প্রদান করলেও তারা কর্নপাত করেননি। ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হাসান বলেন,মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ঘোষনা অনুযায়ী তিন ফসলী আবাদী জমি খনন করে শ্রেনী পরির্বতন করা যাবে না।
এবিষয়ে কথা বললে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.রিয়াজ উদ্দিন জানান,বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে তৌশিলদার কে পাঠানো হয়েছে। এর পরেও যদি কেউ আইন অমান্য করে তিন ফসলি জমির মাটি খনন করে,পুকুর নির্মাণসহ জমির মাটি ইট ভাটায় বিক্রি করে,তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।









