উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:- আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-১ আসনে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী গওহরডাঙ্গা মাদরাসার পরিচালক মুফতি রুহুল আমীনের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ ওঠেছে। উপজেলার চাঁচুড়ী বাজারের বিভিন্ন স্থানে সাঁটানো একাধিক ‘ফেস্টুন’ মঙ্গলবার রাতের আধারে দুর্বৃত্তরা ছিঁড়ে ফেলেছে। এতে উপজেলা আ’লীগের দ্বিধাবিভক্ত এক গ্রুপের নেতা-কর্মী তথা রুহুল আমীনের অনুসারীদের মাঝে প্রচন্ড ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, নড়াইল-১ আসনে (কালিয়া-সদরের একাংশ) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী দেশের অন্যতম আধ্যাতিœক নেতা ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শ্রদ্ধেয়জন মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরীর রহঃ এর ছেলে গোপালগঞ্জের গওহরডাঙ্গা মাদরাসার পরিচারক মুফতি রুহুল আমীন। তাঁর অনুসারীরা তাঁকে পার্শ্ববতী জেলা নড়াইল-১ আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চায় এমন প্রত্যাশা জানিয়ে রুহুল আমীনের ছবি সম্বলিত শত শত ফেস্টুন নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন হাটবাজার ও রাস্তাঘাটে সাঁটিয়ে দেয়। কিন্তু মঙ্গলবার রাতের আঁধারে কে বা কারা কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী বাজারের বকুলতলা নামক স্থান,আব্দুলের চায়ের দোকানের পূর্বপাশসহ কালিয়া-নড়াইল প্রধান সড়কের দুপাশ দিয়ে লাগানো অনেকগুলো ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে।
উল্লেখ্য,এখানে বিবদমান নড়াইল-১ আসনের এমপি কবিরুল হক মুক্তি গ্রুপ ও জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু গ্রুপ বিদ্যমান।এ ঘটনায় এমপি মুক্তি গ্রুপের লোকজন জড়িত এমন অভিযোগে মুফতি রুহুল আমীনের অনুসারীদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে মুফতি রুহুল আমীন বলেন,‘এমপি মুক্তির আশ্রয়-প্রশয়ে লালিত লোকজন ফেস্টুন ছেঁড়ার মতো এ ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটিয়েছে । বিষয়টি যথাযথ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশসনকে অবহিত করা হয়েছে।’
একই প্রসঙ্গে কালিয়া থানার ওসি তদন্ত ইকরামূর হক নড়াইল জেলা অনলাইন মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি উজ্জ্বল রায়কে, জানান, ‘এ বিষয়টি সম্পর্কে অবহত নই। তবে এ সম্পর্কে খোজখবর নিচ্ছি।সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এ প্রসঙ্গে নড়াইল-১আসনের এমপি করিরুল হক মুক্তি বলেন, ‘এ বিষয় সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। সুতরাং কোন মন্তব্য করলাম না।’









