বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে উৎকন্ঠা ও আতঙ্কে রয়েছে ঠিক তখনি যশোরের শার্শা উপজেলার পুটখালী সীমান্ত পথে চলছে মানব পারপারের রমরমা ব্যাবসা। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের নেওয়া নানা আইনি কঠোরতা ও বিধি নিষেধ অমান্ন করে সীমান্ত ঘাট দিয়ে চোরাই পথে টাকার বিনিময়ে মানব পারাপারে চলছে দেদারছে।
মানবপাচারে জড়িত সদস্যরা জানেনা যে টাকার লোভে প্রানঘাতী ভাইরাস বহন করে আনছেন দেশের অভ্যান্তরে। যা তাদের পরিবার ও গ্রামের জন্য মরণ ব্যাধী। ভারত সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধ্য অনুপ্রবেশে আগত নারী পুরুষ বিজিবি সহ স্থানীয় প্রশাসনের সন্মতি পেয়ে মোটরসাইকেল ও বাইকে বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছাতে কিছু সময় ধরে অবস্থান করতে হচ্ছে এলাকাটির বাড়ী-ঘরে। এ কারনে পুটখালী গ্রাম এলাকায় যে কোন মূহুর্তে ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি জানান, সাম্প্রতি ভারত সরকার ভারতীয় ভিসা বন্ধ করে দেওয়ায় চোরাই পথে অবৈধ লোক পারাপার বেড়েই চলেছে। ভারতীয় সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী বিএসএফ ভারত হতে বাংলাদেশে লোক আসতে বাধা দিচ্ছে না। তবে বাংলাদেশ হতে লোক নেওয়ার সময় কোন কোন সময় ফেরত দিচ্ছে। বিজিবির তৎপরতা থাকা সত্তেও কি ভাবে দেশের ভেতর অবৈধ প্রবেশ করে।
পুটখালী স্থানীয় গ্রামবাসী এবং দোকানীদের সাথে কথা বলে খোজ খবর নিয়ে মানব পারাপারের সত্যতা মিলেছে। স্থানীয় জৈনিক ব্যক্তি জানান, করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে তারা।কালো আনিচ, অশোক, রুবেল নামীয় ব্যক্তিরা সেন্টিগেটের সহোযোগীতা ও ক্ষমতার দাপটে লোক পারাপার করে গ্রামবাসীর জীবন ঝুঁকিতে ফেলছে।
পুটখালী ২১বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মঞ্জুর-ই এলাহী জানান, সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আপনারা তথ্য দিয়ে সহোযোগীতা করুন প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিবো।
বেনাপোল পোর্টথান অফিসার ইনচাজ মামুন খান বলেন, ভারত হতে আগত ব্যক্তিদের বিষয়ে আমাদের সঠিক তথ্য পেলে আইনুযায়ী ব্যাবস্থা নিবো।মহামারি করোনা ভাইরাস বিস্তর প্রতিরোধে এ এলাকায় পুলিশ প্রশাসন কঠোর ভূমিকায় রয়েছে। কোন মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে এসে স্বাভাবিক ভাবে এলাকায় ঘোরা ফেরা করলে আমাদেরকে সনাক্ত করে এলাকাবাসী সহযোগীতা একান্ত প্রয়োজন।
Please follow and like us:









