অভিযোগ সুত্রে জানাযায়,২০০৯ সালের ১৮ জানুয়ারী চাঁদপুর মতলব উত্তরে ১০ নং পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়াডে সিপাইকান্দি গ্রামের পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন সরকার এর ৮০শতাংশ জমি দখল করেন মতলব দক্ষিণে চরবাইশপুর গ্রামের সিএস বি (ইটভাটা) ব্রিকস ফিল্ডের মালিকরা জোর পূর্বক তাড়িয়ে দিয়ে দখল করে নেয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন সরকার জানান,দেশ স্বাধীন করার জন্য তিনি জীবন বাজি রেখে পাক সেনাদের সাথে যুদ্ধ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাক্ষরিত সনদে তিনি ভাতা পেয়ে আসছেন। কিন্তু স্বাধীন দেশে আজ তিনি পরাধিন। নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি সি-এস- বি (ইটভাটা) ব্রিকস ফিল্ডের মালিকরা একযুগেরেও বেশি সময় ধরে দখল করে নিয়েছেন প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠি। প্রশাসন আর সমাজপতিদের ধারে ধারে ঘুরে তিনি নিজের মালিকানা সম্পতি দখল নিতে পারেন নি।
চাঁদপুর মতলব উত্তরে অসহায় মুক্তিযোদ্ধার ৮০ শতাংশ জমি কেড়ে নিলো (cs)সি এস ব্রিকস্ ফিল্ডে। বাদীর জমি চাঁদপুর মতলব দক্ষিনে চর বাইশপুর গ্রামে ২২পুর মৌজায় আনোয়ার হোসেন বাদীর জমিতে জোর করে (cs) সিএস ব্রিকস্ নির্মাণ করে। সিএস(cs)ব্রিকস ফিল্ডের শেয়ার মালিক(৫)জন। হাজি মন্নান ফরাজী তিন পুত্র।১ বিল্লাল ফরাজী ২ খায়ের ফরাজী ৩ বাসার ফরাজি। সাং মতলব ৩ নং ওয়ার্ড। বাকি দুইজন একজন হলো মতলব বাজার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী স্বপন সাহা। সাং কলাদি, আর একজন অলিউল্লাহ ঢালী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মতলব বাজার নওগাঁ। ইতিমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে অসহায় মুক্তিযোদ্ধা বাদী হয়ে একাধিক মামলা করে চাঁদপুর দায়রা জর্জ কোটে। মামলার রায় বাদী পেলেও দখলে যেতে পারছে না লাঠি চার্জের কারনে। বাদী দখল না পাওয়ার,
কারণ চর বাইশপুর কিছু ক্ষমতাসীন মানুষকে হাত করে হজম করে নিয়েছে অসহায় মুক্তিযোদ্ধা দখলকৃত জমি। পরবর্তী মামলায় চাঁদপুর দায়রা জর্জ কোটের রায় হলো বাদীর ২২ পুর মৌজার জমির ন্যায্য মূল্য পরিশোধ করতে। ইতিমধ্যে তারা সেটাতে যেতে চায় না। তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য
হল জোর করে যতদিন দখল করা যায়। বিশেষ সূত্রে জানা যায় ওই সিএস (cs)ব্রিকস্ ফিল্ডের এর মালিকরা বড় বড় নেতা কর্মীকে
হাত করে বাদী অসহায় বীর মুক্তিযোদ্ধা
আনোয়ার হোসেনের জমি দখল করে নেয়। দেখার কেউ নাই। মহান আল্লাহ ছাড়া তাদের জুলুমের বিচার করার কেউ নাই।
Please follow and like us:







