সামান্য বৃষ্টিতে মাত্র ৮শত মিটার কাঁচা রাস্তার দূর্ভোগের কারনে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার সমেষপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমতলী শিশুদের স্কুলে যাওয়া আসা বন্ধ হয়ে যায়। ভাদুর ইউনিয়নের সমেষপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সমেষপুর আঠিয়া বাড়ি পর্যন্ত এ রাস্তা দীর্ঘ ১ যুগ থেকে কোন প্রকার উন্নয়নের ছোঁয়া না লাগায় খানাখন্দে কাঁদাপানি জমে দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়। সামান্য বৃষ্টিতে তা আরো চরম আকার ধারন করে। এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী আশপাশের ১০ টি বাড়ির প্রায় অর্ধশতাধিক ছাত্রছাত্রী বৃষ্টি হলে স্কুলে যেতে চায় না। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন যাবত রাস্তাটি পাকাকরনের দাবী করে আসলেও সংশ্লিষ্টরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন না করায় মানুষের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। সরেজমিনে গেলে উক্ত এলাকার বাসিন্দা সাবেক সেনা সার্জেন্ট বাচ্ছু আঠিয়া, ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা সুলাইমান, আবুল খায়েরসহ অনেকে জানান, এ রাস্তাটি সমেষপুর সরকারী প্রাথমিক স্কুল, মাদ্রাসা ও আলীপুর বাজারসহ ছাত্রছাত্রী ও সাধারন মানুষ চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। বিগত ১৫ বছর ধরে রাস্তাটি পাকা করা জন্য জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগে বার বার ধর্না দিলেও কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না। শিশুরা একটু বৃষ্টি হলে স্কুলে যেতে চায় না। ইঞ্জিলচালিত যানবাহনতো দুরের কথা সাইকেল ও রিক্সা চলাচল করতে পারছে না। তাই মানুষের হাটবাজার ও রোগীদেরকে নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। মনে হয় এ এলাকাটি একটি বিছিন্ন এলাকা। তাই রাস্তাটি পাকা করার জন্য সরকারকাছে জোরদাবী করছি।
সমেষপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেনী ছাত্র রাহাতের অভিভাবক হাসিনা আক্তার জানান, রাস্তার সমস্যার কারনে বাচ্চাটি স্কুলে যেতে চায় না। একটু বৃষ্টি হলে হাটু পরিমান কাদা ও পানিতে যাওয়া সম্ভব নয়।
সমেষপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লতা রানী পাল জানান, স্কুলে আসা যাওয়ার জন্য রাস্তাটির খুব নাজুক অবস্থা হওয়ার কারনে ছাত্রছাত্রীরা একটু বৃষ্টি হলে স্কুলে আসে না।
ভাদুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদ হোসেন ভূইয়া জানান, রাস্তাটি পাকা করা অতিব জরুরি, এমপি সাথে যোগাযোগ করে এলজিআরডি অফিসে তালিকা দেওয়া হয়েছে। খুবই শীঘ্রই এ রাস্তাটি পাকা করা হবে।
রামগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) জাহিদুল হাসান জানান, রাস্তাটি তালিকা ভুক্ত আছে, অনুমোদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে পাকাকরন করা হবে।









