কলারোয়ার আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ আজাহারুল ইসলাম আরজুর ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী আজ। ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর রাত ১০টায় মানবতাবিরোধী অপরাধে রাজাকারদের শিরোমনি কাদের মোল্লার ফাঁসির পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে বিভিন্নস্থানে তান্ডব চালায় জামাত-শিবির। গাছ কেটে, রাস্তা কেটে, নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে রক্তাক্ত জনপদে পরিণত করেছিল তারা। জেলায় ১৬ জন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীকে খুন করে এবং বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর-লুটপাট করেছিল দানবেরা। রাস্তার উপর বাঁধ তৈরি করে যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল করে রেখেছিল মাসের পর মাস। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে একটি বিচ্ছিন্ন জনপদে পরিণত করেছিল স্বাধীনতা বিরোধী চক্র। বোমাবাজি, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে এক বিভীষিকাময় পরিবেশ তৈরি করেছিল জামাত-শিবিরের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীরা।
তারই ধারাবাহিকতায় জামায়াত-শিবিরের হায়েনারা উপর্যুপরি কুপিয়ে হত্যা করেছিল আজাহারুল ইসলাম আরজুকে। কবরে আশ্রয় নিয়েও ঘাতকদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি সে। শহিদ আজাহারুল ইসলাম আরজু কলারোয়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। মৃত্যুর পর শহীদ আজাহারুল ইসলাম আরজুর পরিবারের খোঁজখবর রাখেনি কেউ বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
এদিকে, শহীদ আজাহারুল ইসলাম আরজুর রুহের মাগফিরাত কামনায় আজ বাদ জোহর তার পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।









