এ ঘটনায় গ্রেফতার ওমর ফারুক (২০) উপজেলার লোহাগাছ বিন্দুবাড়ি গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে ও অপরজন রাব্বি (১৯) একই এলাকার মোঃ হাসমত এর ছেলে। নিহত রাশিদা (৪৫) শ্রীপুর পৌর এলাকার মাধখলা গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী। এর মধ্যে ওমর ফারুক হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। অভিযুক্ত ওমর ফারুক ও নিহত রাশিদা বেগম পূর্বপরিচিত।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আমজাদ শেখ জানান, রাশিদা বেগম বাড়ির পাশে ইসরাক স্পিনিং মিলস্ লিমিটেড কারখানায় চাকুরি করতেন। গত শনিবার (০২জানুয়ারি) বাড়ির অদূরে দক্ষিণ ভাংনাহাটি এলাকার তালুকদারের ভিটা নামের গজারীবনের লাকড়ি কুড়াতে যায়। সেখানে অভিযুক্ত ওমর ফারুক গরুর জন্য ঘাস ও রাব্বি গরু চড়াচ্ছিল। এর মধ্যে অভিযুক্তরা রাশিদাকে একা পেয়ে তার সাথে শারিরিক সম্পর্ক করার উদ্দেশ্যে পেছনে থেকে জাপটে ধরে। এসময় রাশিদা চিৎকার দিলে তার গলায় থাকা ওড়না দিয়ে তার মুখ বেঁধে জোর পূর্বক ফারুক ও রাব্বি ধর্ষণ করে। এদিকে রাশিদা ও ফারুক একই কারখানার চাকুরি সুবাদে ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার ভয়ে ফারুক ও রাব্বি গলায় চাপ দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ জঙ্গলে ফেলে দেয়। স্থানীয়রা পরদিন জঙ্গলে লাকড়ি কুড়াতে গিয়ে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, হত্যার দায় স্বীকার করে ওমর ফারুক আদালতে ১৬৪ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।









