শারদীয় দুর্গাপুজা এবং কঠিন চিবরদানোৎসব সামনে রেখে শন্তি শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে,উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,উবর্ধতন কর্মকর্তাগন,আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি,মুক্তিযুদ্ধা,উপজেলা পর্যায়ের বিভাগীয় কর্মকর্তাগন,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,সুশীল সমাজের প্রতিনিধি,ধর্মীয় প্রতিষ্টানের প্রধানগন,সাংবাদিক /মিডিয়াকর্মীগন,ছাত্র প্রতিনিধিদের নিয়ে খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারাতে সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গুইমারা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে,উপজেলা নির্বাহী অফিসার আইরিন আক্তারের সভাপতিত্বে,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে, ২২ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত সম্প্রীতি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন,খাগড়াবাড়ি জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল।
সম্প্রীতি সভায়,অন্যদের মধ্যে,গুইমারা থারার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক চৌধুরী,গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো:সাইফুল ইসলাম সোহাগ,উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো: রফিকুল ইসলাম,উপজেলা ইসলামি আন্দোলনের সভাপতি মো: মাগফার হোসেন,গুইমারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা কারী মুহাম্মদ ওছমান গনী,গুইমারা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো:নাজিম উদ্দিন,গুইমারা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবলু হোসেন,গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মুহাম্মদ জায়নুল আবদীন,গুইমারা প্রেসক্লাব সভাপতি মুহাম্মদ আবদুল আলী,গুইমারা বাজার সভাপতি দিদারুল আলম বাবুল,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ আলমসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রদান,গন্যমান্য ব্যক্তি,বিভাগীয় কর্মকর্তা,আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি,সুশীল সমাজের প্রতিনিধি,ছাত্রপ্রতিনিধিরা এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন,ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা থাকতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে সবাইকে মিলেমিশে কাজ করতে হবে।
প্রধান অতিথি,জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার জানান, ধর্মীয় উৎসব পালনের মাধ্যমে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।উপস্থিত সকলকে আসন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো শান্ত—পূর্ণভাবে উদযাপনে একে অপরের সহযোগী হয়ে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।









