কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আদালতের আদেশ অমান্য করে প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভাতিজা-ভাতিজীর জায়গায় জোরপূর্বক বিল্ডিং ঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রভাবশালী গংয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগীরা। আদালত বিরোধকৃত জায়গায় শন্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য উভয়পক্ষের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। সরেজমিন পরিদর্শন করে ঘর নির্মাণ করতে দেখা গেছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ডাকরা গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে শাহজাহান, মোঃ সোহাগ, মোঃ আলাউদ্দিন, মোসাঃ খাদিজা বেগম বিএস৩৫২ দাগে ৬ শতক ও ৩৫৩ দাগে ৪ শতক অপরাপর ভুমিতে মালিক দখল অবস্থায় বিএস ১০১নং খতিয়ানে শুদ্ধরুপে চুড়ান্ত হয়। ২০১৭ সালেল ১৪ জুন ৫০৪৩নং হেবা দলিল মূলে বাচ্চু মিয়া তার তিন ছেলে ও এক মেয়েকে দান করে। পরে শাহজাহান গং ঘর নির্মাণে গেইট করে গাছপালা লাগিয়ে দখল করে এবং বর্তমানেও তাদের দখলে আছে। গত ২৫ এপ্রিল সকালে শাহজাহানের চাচা আবদুল মজিদ, পেয়ার আহম্মদ মোল্লা, চাচাতো ভাই মোঃ খোকন, গিয়াস উদ্দিন ও মোঃ নাসির একজোট হয়ে নালিশী ভুমিতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে বেদখল পাঁয়তারা করে। ওই সময় শাহজাহান গং বাধা দিলে তারা চলে যায়। গত ৬ মে ভুক্তভোগী শাহজাহান গং আদালতে চাচা ও চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে।
গতকাল সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, আদালতের আদেশ অমান্য করেই আবদুল মজিদ গং জোরপূর্বক বিল্ডিং ঘর নির্মাণ করিতেছে। চারদিকে ঘরের টিনের বেড়া ঠিক রেখে মাঝে মাঝে টিন খুলে পিলার নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে। অথচ সংবাদ কর্মীদের সামনে তারা নির্মাণ কাজের কথা অস্বীকার করে।
আবদুল মজিদের ছেলে মোঃ খোকন বলেন, শাহজাহান গংয়ের দায়েরকৃত অভিযোগ সঠিক নয়। তারা দুই শতক ভুমি পাবে। তবে আমরা আমাদের জায়গায় ঘর নির্মাণ করতেছি।
বুধবার চৌদ্দগ্রাম থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘বিরোধকৃত জায়গায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে আদালতের আদেশ উভয় পক্ষকে পৌঁছানো হয়েছে। কোন পক্ষ বিরোধকৃত জায়গায় ঘর নির্মাণ করছে কি না এব্যাপারে জানা নেই’।






