আহাদ তালুকদার আগৈলঝাড়া ,(বরিশাল)
জরাজীর্ণ কাঠের সাঁকো দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে দক্ষিণাঞ্চল আগৈলঝাড়ার ১০ গ্রামের মানুষের।
আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের রাহুতপাড়া কাঠিরা দুই গ্রাম সংলগ্ন খাল, যার উপর দিয়ে বয়ে গেছে কাঠের সাকো। এই কাঠের সাঁকো ঘিড়েই এই ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষের প্রতিনিয়তই ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে শত শত মানুষের।
ব্রিজটি রাহুৎপাড়া – কাঠিরা সংলগ্ন জায়গায়। ৫/৭ টি গ্রামের মানুষ এ পথদিয়ে চলাচল করে। এখানে রয়েছে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রশান্ত রায়ের বাড়ি, যেখানে প্রচুর রোগী আসেন যা চলাচলে বিগ্ন ঘটে, রয়েছে একটা মিশন স্কুল, সাথেই একটা শ্রীশ্রী হরি ঠাকুরের মন্দির। প্রায় ১০,০০০০ মানুষের সংযোগ স্থল বা সেতুবন্ধন এই কাঠ বাশের সেতু। সাথেই রয়েছে দুজন মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি যারা এই সাকো পার হয়ে আগৈলঝাড়াতে আসেন। ব্রিজটির পূর্ব ও পশ্চিম দিকে ৫ কিলোমিটারের মধ্যে কোন ব্রিজ নেই।
গ্রামের যুব সমাজ এই ব্রিজটি সংস্কারের উদ্দ্যোগ নিয়ে প্রতি বছরই মেরামত করে। চরতি বছরের পূজায় লোকজন যাতে সুন্দর ভাবে চলাচল করতে পারে তার জন্য গ্রামের যুবকরা উদ্দ্যোগ নিয়ে এটি করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সাঁকোটির অনেক জায়গায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে পাটাতন দেয়া হয়ে থাকলেও মানুষের যাতায়াতে সাকোটি হেয় হয়ে পড়ে।
এছাড়াও কাঠের তক্তাগুলো ঢিলে হয়ে পড়েছে, কোথাও আবার খুলে গেছে। ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ হালকা যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সাঁকোর দুই পাশে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। তবে বিকল্প পথ না থাকায় বাধ্য হয়ে অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হচ্ছেন।
সাঁকোটি প্রথম নির্মাণ করা হয় ২০০২ সালে, তখন থেকে আজ পর্যন্ত কোনো ধরনের সংস্কার বা নতুন সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ খালের দুই পাড়ের হাজারো শিক্ষার্থী, শ্রমিক, কৃষক ও সাধারণ মানুষ এই পথ দিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকেন।
এই গ্রামের বাসিন্দা ডাক্তার প্রশান্ত রায় জানান, আমাদের এই অঞ্চল দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এলাকাবাসীর দাবি আমাদের একটি ব্রিজ হলে নির্বিঘ্নে আমরা যাতায়াত কড়তে পারতাম। এছাড়াও গাড়ি নিয়ে ওঠানামা করা যায় না। মহিলারা চলাচল করতে পারে না, অনেকেই পড়ে যায়।”
একই গ্রামের লিমন সরদার বলেন, “রাতে টর্চ লাইট নিয়ে পা টিপে টিপে চলতে হয়। এত বছর ধরে এই অবস্থায় আছি। কৃষিপণ্যের বাজারজাত, শিক্
আগৈলঝাড়া এলজিডি নির্বাহী প্রকৌ









