১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-




পরিবেশের ক্ষতি সাধন করে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইট ভাটা গড়ে তোলার অভিযোগ

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, বিশেষ করেসপন্ডেন্ট,খুলনা।

আপডেট টাইম : এপ্রিল ১০ ২০২৫, ০৩:১৬ | 878 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

পরিবেশের ক্ষতি সাধন করে ডুমুরিয়া ও কেশবপুর উপজেলার জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইট ভাটা গড়ে তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রশান্ত ঘোষ নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এঘটনায় জেলা প্রশাসকসহ কয়েকটি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী। দপ্তর গুলো হলো জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা ও যশোর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডুমুরিয়া ও কেশবপুর।
প্রাপ্ত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, খুলনা বিভাগস্থ যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নের ভদ্রা নদী সংলগ্ন মের্সাস পর্থিক ব্রিকস নামে একটি ইট ভাটা গড়ে তুলেছেন প্রশান্ত ঘোষ নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। ভাটাটির গা ঘেষে রয়েছে চুকনগর ব্রিজ রোডের বাজার, চুকনগর দিব্যপল্লী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চুকনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শন্যাসগাছা ব্রিজের মাথা মাদ্রাসা, সরকারি আবাসন প্রকল্পের ২০/৩০টি ঘর। সেখানে রয়েছে প্রায় শতাধিক মানুষ বসবাস। কিন্তু প্রতিনিয়ত ইট ভাটার নির্গত ধোঁয়া ও বর্জ্য পরিবেশের ক্ষতিসাধন হচ্ছে। ভাটায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী খনিজ কয়লা ব্যবহার করার কথা থাকলেও সেখানে জ্বালানি হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় ফলজ ও বনজ বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে। ভাটার ধোয়ার কারণে ভাটা লাগোয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময় অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ভাটা পরিচালনার কোন কাগজপত্র নেই বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এলাকাবাসী দাবি অতি দ্রুত ভাটাটির কার্যক্রম বন্ধ করলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুস্থতা ফিরে আসবে ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
এব্যাপারে ভাটা মালিক প্রশান্ত ঘোষ, তার ভাটার কারণে পরিবেশের কোন ক্ষতি হচ্ছে না বলে দাবি করেন।
Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET